Halloween Costume ideas 2015
June 2026
অপরাধ অর্থ ও বাণিজ্য আওয়ামী লীগ আড়াইহাজার আদালত আন্তর্জাতিক উত্তরা পূর্ব থানা কাঁচপুর কুমিল্লা খেলাধুলা গজারিয়া গণমাধ্যম গাজীপুর চট্টগ্রাম জাতীয় জামপুর জামায়াত ঢাকা তথ্যপ্রযুক্তি থানা প্রশাসন দাউদকান্দি ধর্ম নরসিংদী নারায়ণগঞ্জ নোয়াখালী নোয়াগাও পর্যটন ও পরিবেশ পিরোজপুর পৌরসভা প্রশাসন ফতুল্লা বন্দর বরগুনা বারদী বিএনপি বিনোদন বৈদ্যের বাজার ভারত ভুলতা মুন্সিগঞ্জ মোগরাপাড়া রাজনীতি রাজনীতি. রাজনীতি. বিএনপি রাজনীতি.মোগরাপাড়া রাজশাহী রূপগঞ্জ র‌্যাব র‌্যাব-11 শম্ভুপুরা শিক্ষা শিক্ষা ও সংস্কৃতি শিবির সন্মান্দি সংস্কৃতি সাদীপুর সাভার সারাদেশ সিদ্ধিরগঞ্জ সিভিল প্রশাসন সিলেট সেনা সোনারগাঁও স্বাস্থ্য কথা হাইওয়ে পুলিশ


সোনারগাঁও দর্পণ :

সোনারগাঁওয়ে এভারগ্রিন মাদকাশক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে ভর্তি থাকা রোগিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে পূণর্বাসন কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হাড়িয়া চৌধুরীপাড়া এলাকায় অবস্থিত এভারগ্রিন মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম ফয়জল (৫৫)। তিনি উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের পশ্চিম বেহাকৈর এলাকার মৃত ফোছন মিয়ার ছেলে।

ফয়জলের মৃত্যুর পর একাধিক ভুক্তভোগী ও স্বজনরা সেখানে অমানবিক নির্যাতন, অব্যবস্থাপনা এবং চিকিৎসা সেবার নামে অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ তোলেন।

ওই পূণর্বাসন কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ছিলেন এমন একজন ভুক্তভোগী জানান, এভারগ্রীন মাদকাশক্তি পূণর্বাসন কেন্দ্রটিতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা নেই বললেই চলে। রোগীদের বিভিন্ন সময় শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হতো। তার ভাষ্যমতে, কেন্দ্র থেকে রোগি পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অনেককে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা হতো এবং এ নিয়ে প্রায়ই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো।

ওই যুবক জানায়, পূণর্বাসন কেন্দ্রের পরিচালক ইসমাঈল মেম্বার এর ছেলে রকি ও তার শালা, উজ্জ্বল, মনির, হালিম এবং সজিব পালাক্রমে পেটাতো। ফয়জুলের সাথে একই দিন তাদের কয়েকজনকেও বেধরক পিটানো হয়। কিন্তু ফয়জুলকে অজ্ঞাত কারণে পেটাতে পেটাতে তাদের চোখের সামনেই মেরে ফেলা হয়েছে।

ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও কেন্দ্রটির পরিচালক সজীব বা সংশ্লিষ্ট কাউকে সেখানে পাওয়া যায়নি। 

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এবং নিহতের স্বজনরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। 



সোনারগাঁও দর্পণ :

স্ট্রোকে আক্রান্ত পিতার হার্টএ্যাটাকে মৃত্যুর সংবাদ ছেলেকে দিতে গিয়ে ওই ছেলের ঝুলন্ত অর্ধগলিত মরদেহের সন্ধান পেয়েছে এলাকাবাসী। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের দমদমা গ্রামে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাত সাড়ে আটটার দিকে ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায় তার বোনের স্বামী।   

হার্টএ্যাটাকে মৃত্যু হওয়া ব্যক্তির নাম শাহজাহান (৬০)। তিনি পেশায় একজন সিএনজি চালক ছিলেন। অপরদিকে, আত্মহননকারী ছেলের নাম উজ্জল (৩৬), তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রী হলেও মাদকাগ্রস্থ ছিল বলে এলাকাবাসীর দাবি। 


স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, শাহজাহান দমদমা গ্রামের দমদমা ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় অনেক বছর আগে থেকেই বাড়ি নির্মাণ করে স্ত্রী, মেয়ে ও দুই ছেলে নিয়ে বসবাস করতেন। তিনি বেশ কিছুদিন আগে স্ট্রোক হওয়ার কারণে অনেকটা অচল ব্যক্তির মতোই একটি ভাঙ্গা ঘরে দিনযাপন করতেন। সংসারে ছেলে-মেয়ে থাকলেও কয়েক বছর আগে মেয়ে পূণরায় বিয়ে করে শশুর বাড়িতে থাকে। স্বামীর সাথে ঝগড়া করে মেয়ের বাড়িতে থাকেন শাহজাহানের স্ত্রী। অপর এক ছেলে জসিম সৌদি প্রবাসী। উজ্জল এক সময় প্রবাস জীবন কাটালেও কয়েক বছর ধরে স্ত্রীকে তালাক দিয়ে একাই বসবাস করতেন।

এলাকাবাসী জানায়, ছেলে ও বাবা একই বাড়িতে বসবাস করলেও ছেলে-বাবা’র সাথে বনিবনা না হওয়ায় ছেলের ঘরের পাশে ছোট একটি জীর্নশীর্ণ ঘরে বসবাস করতেন শাহজাহান। বৃহস্পতিবার মাগরিবের পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে শাহজাহানকে তার মেয়ের স্বামী জামাল হোসেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শাহজাহানকে মৃত ঘোষণা করেন। জানান, হার্টএ্যাটাকে কিছুক্ষণ আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে, জামাল তার শশুরের লাশ হাসপাতাল থেকে বাড়ি নিয়ে রাস্তার পাশে রেখে প্রবল ক্ষোভ নিয়ে ছেলেকে ডাকতে রাস্তার পাশে থাকা ঘরের দরজা ধাক্কাতে থাকে। অনেকক্ষণ ডাকাডাকির পর কোন সাড়া না পেয়ে  জানালার একটি অংশ খুলতেই ভেতর থেকে পচাঁ দুর্গন্ধ বের হয়। পরে জানালার পর্দা সারাতেই উজ্জলের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয় জামাল।

জামাল জানায়, তার শশুর মারা গিয়েছে আর শ্যালক নেশায় বুধ হয়ে ঘরে দরজার কপাট লাগিয়ে ঘুমিয়ে রয়েছে মনে করে অনেক ক্ষোভ নিয়ে উজ্জলকে ডাকাডাকি করি। পরে জানালার একটি অংশ খুলতেই পচাঁ দুর্গন্ধে আমার বমি হওয়ার উপক্রম।

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানায়, শাহজাহান সারা জীবন সিএনজি চালিয়ে অনেক কষ্টে জীবন নির্বাহ করেছেন। তারপরও সবাইকে নিয়ে সুখে থাকতে চেয়েছিলেন কিন্তু শাহজাহানের স্ত্রীর জন্যই তাদের সংসারে সকল অশান্তির কারণ। মায়ের অতি আশকারায় সন্তানরা মাদকসহ নানা অসামাজিক কাজে জড়িয়ে পরে। এমনকি উজ্জল বিদেশ থেকে দেশে ফিরে বিয়ে করলেও মা আর বোনের কারণে উজ্জলের স্ত্রী চলে যায়।

স্থানীয় একাধিক গ্রামবাসী জানায়, গত সোমবার পর্যন্ত উজ্জলকে এলাকার অনেকের সাথেই সুস্থ্য ও  স্বাভাবিক কথা বলতে দেখা গেছে। তবে, কেন আত্মহত্যার মতো পথ বেছে নিয়েছে তা সবার অজানা।

সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার বলেন, কিছুক্ষণ আগে (৯টা ৫০ মিনিট) শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাবে। 


MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget