Halloween Costume ideas 2015

সোনারগাঁও দর্পণ

সর্বশেষ পোস্ট
অপরাধ অর্থ ও বাণিজ্য আওয়ামী লীগ আড়াইহাজার আদালত আন্তর্জাতিক উত্তরা পূর্ব থানা কাঁচপুর কুমিল্লা খেলাধুলা গজারিয়া গণমাধ্যম গাজীপুর চট্টগ্রাম জাতীয় জামপুর জামায়াত ঢাকা তথ্যপ্রযুক্তি থানা প্রশাসন দাউদকান্দি ধর্ম নরসিংদী নারায়ণগঞ্জ নোয়াখালী নোয়াগাও পর্যটন ও পরিবেশ পিরোজপুর পৌরসভা প্রশাসন ফতুল্লা বন্দর বরগুনা বারদী বিএনপি বিনোদন বৈদ্যের বাজার ভারত ভুলতা মুন্সিগঞ্জ মোগরাপাড়া রাজনীতি রাজনীতি. রাজনীতি. বিএনপি রাজনীতি.মোগরাপাড়া রাজশাহী রূপগঞ্জ র‌্যাব র‌্যাব-11 শম্ভুপুরা শিক্ষা শিক্ষা ও সংস্কৃতি শিবির সন্মান্দি সংস্কৃতি সাদীপুর সাভার সারাদেশ সিদ্ধিরগঞ্জ সিভিল প্রশাসন সিলেট সেনা সোনারগাঁও স্বাস্থ্য কথা হাইওয়ে পুলিশ


সোনারগাঁও দর্পণ:

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে ফয়সাল (৩৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীর অর্ধগলিত মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে সোনারগাঁও থানা পুলিশ। সোমবার (১৮ মে) দুপুরে উপজেলার পৌরসভার জয়রামপুর এলাকায় তার নিজ বাড়ির দোতলায় নিজ কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। 

স্থানীয়রা জানায়, ফয়সাল একই এলাকার ইব্রাহিম খলিলের বড় ছেলে। ব্যক্তি জীবনে ফয়সাল বিদ্যুৎ মিস্ত্রি হলেও এলাকায় মাদক সেবি এবং ব্যবসায়ী হিসেবেই বেশি পরিচিত ছিল।

ফয়সালের ছোট ভাই ফাহিম জানায়, ফয়সাল মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকায় তার পরিবার তার (ফয়সাল) সাথে রাগ করে সাভার ভাড়ায় থেকে বসবাস করেন। তার বাবা প্যারালাইসিস রোগি। ফাহিম তেজগাঁও কলেজে হিসাবরক্ষণ বিভাগে অনার্স অধ্যয়নরত।

ফাহিম আরও জানান, ব্যক্তি জীবনে তার বড় ভাই ফয়সাল পারিবারিকভাবে প্রথম বিয়ে করেন কুমিল্লায় স্বর্ণা নামে এক নারীকে। বিয়ের পর ফয়সাল প্রথমে মাদক গ্রহণ এবং পরবর্তীতে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত হয়ে পরে। প্রথম স্ত্রী অনেক কষ্ট করে মাদক থেকে সুস্থ্য জীবনে আনার পর কাউকে না জানিয়ে স্থানীয় এলাকায় ভাড়া থাকা রংপুরের এক নারীকে দ্বিতীয় বিয়ে করে। মুলত দ্বিতীয় বিয়ের পর সে এলাকায় চিহিৃত মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি পায়। তার পর থেকেই তাদের সংসারে অশান্তি শুরু হয়। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাশের বাড়ির এক পরশি জানান, সপ্তাহ দুয়েক আগেও ফয়সালের দ্বিতীয় স্ত্রীর সাথে ফয়সালের ঝগড়া হয়। সে সময় তার স্ত্রী ফয়সালকে শারীরিক নির্যাতনও করেন। প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া হলে ওই মহিলা ফয়সালকে শারীরিক নির্যাতন করতো। 

ফয়সালের বিদেশ ফেরত এক চাচাতো ভাই জানায়, গত শুক্রবার ফয়সাল স্থানীয় মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করেন। এরআগে, গাছের বিভিন্ন ফল পেরে আশেপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে বিলি করেন। তারমধ্যে কোন চিন্তা বা দুশ্চিন্তার ছাঁপ দেখা যায়নি। তবে, তার অর্ধগলিত মরদেহ দেখে ধারণা করা হয় কমপক্ষে দুদিন আগে তার মৃত্যু হয়েছে। 

ঘটনাস্থলে ফয়সালের মরদেহ যে কক্ষে ছিল সে কক্ষের বাহিরে একটি বিড়ালকেও মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পুলিশের ধারণা, মৃতের শরীর থেকে যে সকল ময়লা বা পচাঁ রক্ত বের হয়েছে, সে রক্ত খেয়ে বিড়ালটির মৃত্যু হতে পারে। 

এ ব্যাপারে সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার জানান, প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলেই ধারণা করছি। তবে, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট না দেখে নিশ্চিত কিছুই বলা যাচ্ছে না।


সোনারগাঁও দর্পণ :

হতভাগা কিশোরের মায়ের অভিযোগ, স্বাশরোধে তার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর ঘটনার সাথে জড়িতদের বাঁচাতে স্থানীয় প্রভাবশালীরা নিহত কিশোর আত্মহত্যা করেছে প্রচার করে তার সাথে অমানবিক কাজ করেছে। যা বারদী এলাকায় এটাই প্রথম।

থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ যাওয়ার পর পুলিশ কিশোরের মরদেহটি বারদী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড  এর বড় আলমদী শাউপারা গ্রামে  ্নএকটি নির্জস্থন বাগান থেকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।  

ঘটনার বর্ণনায় জানাগেছে, বারদি ইউনিয়ন গ্রাম পুলিশের নারী সদস্য ফুলেছা বেগমের চৌদ্দ বছরের কিশোর আশরাফুল’কে বৃহস্পতিবার শ্বাসরোধে হত্যা করেছে বারদী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড এর বড় আলমদি গ্রামের স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তির স্বজনরা। পরে ওই হত্যাকাণ্ডকে আত্মহত্যা বলে এলাকায় প্রচার করেন তারা। 

প্রভাবশালীরা এতেই ক্ষান্ত হয়নি, আশরাফুলের মৃত্যু সংবাদটি মসজিদের মাইক দিয়ে প্রচার করতেও দেওয়া হয়নি। এছাড়াও বাঁধা দেওয়া হয়েছে জানাজা আদায়ে এবং দাফনটাও করতে হয়েছে তার নিজ এলাকার বাইরে সন্মান্দিতে। 

পরে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় বিষয়টি অবগত করলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে বলে সূত্রটি জানায়।

এদিকে, স্থানীয় প্রভাবশালী ও আত্মীয়-স্বজনদের দ্বারা এমন অমানবিক কাজ অনেকেই মেনে নিতে পারছেনা। এ ব্যাপারে এলাকার সচেতন মহল বিভিন্ন প্রতিবাদ কর্মসূচী পালন করবে বলে জানাগেছে। 

সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



সোনারগাঁও দর্পণ : 

সোনারগাঁওয়ের মেঘনা শিল্পাঞ্চলে ৭১৮ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্ল্যান্টের “জারা মেঘনাঘাট পাওয়ার লিমিটেড’র ক্যান্টিনে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ আমির  হোসেন নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। 

শনিবার (১৬ মে) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ নিয়ে ওই ঘটনায় মোট দুই জনের মৃত্যু হলো। 

হাসপাতাল সূত্রে জানাগেছে, আমিরের শরীরের ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। এরআগে, গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় শংকর গোমেজ (২৫) নামে “জারা মেঘনাঘাট পাওয়ার লিমিটেড’র ক্যান্টিনের শেফ মারা যায়। 

হাসপাতালটির চিকিৎসক শাওন বিন রহমান জানান, ওই বিষ্ফোরনের ঘটনায় দগ্ধ আরও চারজন চিকিৎসাধীন রয়েছে। তারা সকলের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। 

এরও আগে, বুধবার (১৩ মে) দুপুর ১টার দিকে “জারা মেঘনাঘাট পাওয়ার লিমিটেড’র ক্যান্টিনের রান্না ঘরের গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিষ্ফোরণে কমপক্ষে ১২ শ্রমিক দগ্ধ হয়। দগ্ধদের ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট এ পাঠানা হয়। 



সোনারগাঁও দর্পণ : 

সোনারগাঁওয়ের মেঘনা শিল্পাঞ্চলে ৭১৮ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্ল্যান্টের “জারা মেঘনাঘাট পাওয়ার লিমিটেড’র ক্যান্টিনে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ শেফ শংকর গোমেজ (২৫) এর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। 

নিহত শংকর গোমেজ নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের চিটাগুড়ি দিয়ারা পাড়া জোসি গোমেজের ছেলে।

রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান জানান, শংকরের শরীরের ৪৬ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। এখন পর্যন্ত ৬ জনকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। গুরুতর দগ্ধ ৫ জন এখনো চিকিৎসাধীন।

এরআগে, বুধবার (১৩ মে) দুপুর ১টার দিকে “জারা মেঘনাঘাট পাওয়ার লিমিটেড’র ক্যান্টিনের রান্না ঘরের গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিষ্ফোরণে কমপক্ষে ১২ শ্রমিক দগ্ধ হয়। দগ্ধদের ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট এ পাঠানা হয়। 



সোনারগাঁও দর্পণ :

সোনারগাঁওয়ে সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের হামলায় বাড়ির কর্তা নজরুল ইসলাম (৫০) নিহত হয়েছেন। ডাকাতদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মুমুর্ষ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন নজরুলের স্ত্রী শাহনাজ বেগম (৪০)। বুধবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের মুক্তিশপুর গ্রামে ডাকাতি ও হতাহতের ঘটনা ঘটে। নিহত নজরুল একই এলাকার নিহত গাজী মিস্ত্রির ছেলে।

ডাকাতির ঘটনায় জড়িত ৫জনের মধ্যে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা তিনজনকে চিনতে পেরেছেন বলে পুলিশের কাছে জানান তারা। এরমধ্যে উজ্জল নামে এক জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটক হওয়া উজ্জল একই এলাকার হাশেমের ছেলে। একই এলাকার ভাড়টিয়া ছইক্কার ছেলে দেলোয়ার এবং নিহতের আত্মীয় (মামাতো ভাই) নুর মোহাম্মদনের ছেলে আরাফাত নামে অপর একজনকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। 

স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, নজরুল ইসলাম পেশায় একজন সুতা ব্যবসায়ী। বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে নজরুলের বাড়িতে অজ্ঞাত ব্যক্তি নজরুলের নাম ধরে ডাকেন এবং দরজা খুলতে বলেন। গ্রামের পরিচিত কেউ ভেবে দরজা খুলে দেন নজরুলের স্ত্রী শাহনাজ। পরক্ষণেই মুখোশ পরা দেশীয় অস্ত্র হাতে ৫-৭ জনের একদল ডাকাত নজরুল ও তার পরিবারের উপর হামলা চালায়।

আহত শাহনাজের বরাত দিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক এলাকাবাসীর ভাষ্য মতে, দেশীয় অস্ত্র হাতে ডাকাতরা ঘরে প্রবেশ করেই নজরুল ও তার স্ত্রীর হাত-পা রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন করে বাঁলিশ চাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। বাঁলিশ চাপা ও শারীরিক নির্যাতনে শাহনাজ ইচ্ছাকৃতভাবে মরে যাওয়ার ভান করলে নজরুল ডাকাতদের চিনেছে, সকালে তাদের দেখে নিবে বলে হুমকি দেয়। এদিকে, ডাকাতদের ধস্তাধস্তিতে শাহনাজকে বাঁধ দেওয়া রশি (দড়ি)’র বাঁধ কিছুটা নড়বড়ে হয়ে যায়। তারপরও ইচ্ছাকৃতভাবে অচেতন হয়ে পড়ে থাকে।

এদিকে, ডাকাতদের এমন হুমকির পরই ডাকাতরা নজরুলকে নির্যাতন করে। তাদের মধ্যে দুই-একজন ঘরের চাবির সন্ধান করে চাবি নিয়ে ঘর থেকে স্বর্ণ, নগদ টাকা ও মোবাইল সেট নিয়ে যায়। তথ্যদাতার ভাষ্যমতে, ঘর থেকে ৬ ভরি স্বর্ণ, নগদ ৬০ হাজার টাকা ও দুটি মোবাইল সেট লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতরা।

পরে ডাকাতরা চলে গিয়েছে বুঝতে পেরে নজরুলের স্ত্রী শাহনাজ জোরে চিৎকার করলে আশেপাশের বাড়ির লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে এবং ডাকাতদের ধরতে স্থানীয় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিলে গ্রামবাসী বাহির হয়ে একই এলাকার হাশেমের ছেলে উজ্জলকে আটক করে। শাহনাজের ভাষ্যমতে, ওই ঘটনার সাথে স্থানীয় ভাড়াটিয়া দেলোয়ার এবং আরাফাত নামে অপর দুইজনকে চিনতে পেরেছেন। 

স্থানীয়রা জানান, নিহতের শরীরের গলা, বুকের ডান পাশে এবং বাহুর পেশির স্থানে কিছুটা চামড়া উঠানো দেখতে পান। দেখতে অনেকটা সরু ছিদ্র হওয়ার মতো। 

নিহতের ঘটনা স্বীকার করে সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি রহস্যজনক মনে হচ্ছে। একজন আটক আছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আহত শাহনাজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নিহতের লাশ জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক সাঈদ জানান, এটা কি ডাকাতি না-কি অন্য কিছু তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে মুল ঘটনা বলা সম্ভব। 



সোনারগাঁও দর্পণ :

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠন সারজিস আলমকে অভিশাপ দিয়েছেন দলটির (এনসিপি)’র সাবেক নেত্রী নিলা ইসরাফিল। বুধবার (১৩ মে) বিকাল ৩টার দিকে তার নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ “নিলা ইস্রাফিল” এনসিপিকে একদিন বিরোধী দল হিসেবেও মেনে নিবেনা বলে লিখেন। 

যদিও এমন মন্তব্যের প্রায় ৩ ঘন্টা পর তিনি তার লেখাটি কোন মন্তব্য নয় জানিয়ে তিনি লিখেন , “আমি কি আলেম-ওলামা যে অভিশাপ দেব? আমি তো মিষ্টি মেয়ে.....বড় বইন হিসাবে আমি শুধু রাস্তা দেখিয়েছি, অভিশাপ দিইনি। ওরা যে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে সেটা আমার দোয়া না, তাদের কর্মের অনিবার্য পরিণতি। কথাটা বলেছি নিখাদ বাস্তবতার নিরিখে!

সোনারগাঁও দর্পণ এর পাঠক ও শুভানুধ্যায়িদের জন্য নিলা ইসরাফিলের পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো।

প্রিয় Md Sarjis Alam,
তোরা এখন বিরোধী দলে আছিস। কিন্তু মনে রাখিস, বিরোধী দল হিসাবেও তোদেরকে বাংলাদেশের মানুষ মেনে নিবে না। তোরা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবি বাংলাদেশ থেকে. ....
বাস্তবতা মেনে নাও রাজনীতিতে অবস্থান বদলায়, কিন্তু জনগণের রায়ই শেষ কথা। বিরোধী দলে আছো এটাই বিশাল ব্যাপার , কিন্তু জনগণের আস্থা অর্জন করাই এখন তোমাদের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।
Bangladesh Awami League ফিরবে কি ফিরবে না, সেটা ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। কিন্তু তোরা থাকবি কি থাকবি না সেটা নিয়ে চিন্তা কর।
তোমরা রাজনৈতিকভাবে কতটা টিকে থাকতে পারবা , সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে এখনই। কারণ জনসমর্থন ছাড়া কোনো রাজনৈতিক শক্তির ভিত্তি টেকে না।
সময়ের সংকেত স্পষ্ট জনগণ দেখছে, বিচার করছে, এবং মনে রাখছে। রাজনৈতিক উত্থান যেমন বাস্তব, পতনও তেমন বাস্তব আর সেই হিসাব শেষ পর্যন্ত জনগণই মেলায়।
তোদের পতনের কাউন্টডাউন অনেক আগেই শুরু হয়েছে। এখন শুধু তার ধ্বনি আরও স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। প্রতিটি ভুল সিদ্ধান্ত, প্রতিটি বিভ্রান্তিকর অবস্থান, সেই পতনকে আরও ত্বরান্বিত করছে।
এখন হুঁশিয়ার হওয়ার সময়। আত্মসমালোচনা করুন, জনগণের কাছে জবাব দিন, এবং মনে রাখুন বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেষ শব্দ ক্ষমতা নয়, জনগণই বলে।


সোনারগাঁও দর্পণ : 

দেশের বিদ্যুৎপল্লী অঞ্চল খ্যাত সোনারগাঁওয়ের মেঘনা শিল্পাঞ্চলের পাশে অবস্থিত মেঘনা ঘাট ৭১৮ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্ল্যান্টের “জারা মেঘনাঘাট পাওয়ার লিমিটেড’র ক্যান্টিনে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বিষ্ফোরণে বিদ্যুৎকেন্দ্রে কর্মরত কমপক্ষে ১২ শ্রমিক দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধদের ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট এ পাঠানা হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) দুপুর ১টার দিকে রান্না ঘরের গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে সৃষ্ট এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। 

প্রত্যক্ষদর্শী ও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যুৎকেন্দ্রে কর্মরত শ্রমিক সূত্রে জানা গেছে, দুপুরের খাবারের জন “জারা মেঘনাঘাট পাওয়ার লিমিটেড’র ক্যান্টিনে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ভিড় করে।  এ সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটলে মুহূর্তেই পুরো ক্যান্টিনে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে মনির হোসেন, নাজমুল শেখ, সাইফুল ইসলাম, রামিজুল, তুহিন শেখ, ওসমান গনি, সুপ্রভাত ঘোষ, বদরুল হায়দার, আমির হোসেন, শঙ্কর, কাউসার ও আল-আমিন দগ্ধ হয়।

আহতদের উদ্ধার করে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।

বিদ্যুৎকেন্দ্রের সেফটি কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম জানান রান্নার পর চুলা সঠিকভাবে না নেভানোর কারণে দীর্ঘক্ষণ গ্যাস জমে থাকার পর নতুন করে আগুন ধরাতে গেলে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে।

এদিকে, ঘটনার পর ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা কর্মীরা সাংবাদিকদের ভেতরে প্রবেশে বাধা প্রদান করেন এবং তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।

সোনারগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম সারোয়ার জানান, আমরা সংবাদ পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে যাই। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, রান্নার কক্ষে জমে থাকা গ্যাস থেকে এই বিস্ফোরণের সূত্রপাত হতে পারে। ঘটনার সময় সেখানে কর্মরত বেশ কয়েকজন শ্রমিক দগ্ধ ও আহত হয়েছেন। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি। আমরা পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছি এবং প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি ছিল কি না তাও তদন্ত করা হবে।

ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক ওসমান গনী জানান, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে “ক্যান্টিনের রান্নাঘরে পর্যাপ্ত ভেন্টিলেশন বা বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা না থাকায় গ্যাস বের হতে পারেনি, যা বিস্ফোরণের তীব্রতাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে”।

আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, বদ্ধ জায়গায় গ্যাস লিকেজ হয়ে জমে থাকার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। রান্নাঘরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার কোনো ত্রুটি ছিল কি-না, তা আমরা গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখছি। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।


MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget