Halloween Costume ideas 2015

সোনারগাঁও দর্পণ

সর্বশেষ পোস্ট
২ অপরাধ অর্থ ও বাণিজ্য আওয়ামী লীগ আড়াইহাজার আদালত আন্তর্জাতিক উত্তরা পূর্ব থানা কাঁচপুর কুমিল্লা খেলাধুলা গজারিয়া গণমাধ্যম গাজীপুর চট্টগ্রাম জাতীয় জামপুর জামায়াত ঢাকা তথ্যপ্রযুক্তি থানা প্রশাসন দাউদকান্দি ধর্ম নরসিংদী নারায়ণগঞ্জ নির্বাচন নোয়াখালী নোয়াগাও পর্যটন ও পরিবেশ পিরোজপুর পৌরসভা প্রশাসন ফতুল্লা বন্দর বরগুনা বারদী বিএনপি বিনোদন বৈদ্যের বাজার ভারত ভুলতা মুন্সিগঞ্জ মোগরাপাড়া রাজনীতি রাজনীতি. রাজনীতি. বিএনপি রাজনীতি.মোগরাপাড়া রাজশাহী রূপগঞ্জ র‌্যাব র‌্যাব-11 শম্ভুপুরা শিক্ষা শিক্ষা ও সংস্কৃতি শিবির সন্মান্দি সংস্কৃতি সাদীপুর সাভার সারাদেশ সিদ্ধিরগঞ্জ সিভিল প্রশাসন সিলেট সেনা সোনারগাঁও স্বাস্থ্য কথা হাইওয়ে পুলিশ


সোনারগাঁও দর্পণ :

আমি সবসময় বলি " আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমাকে অনেক দিয়েছেন। আল্লাহর রহমতে তিনি আমার কোন কিছুর অভাব রাখেননি। আমি আপনাদের জন্য, আমার নিজ ইউনিয়নবাসীর জন্য কিছু করতে চাই। আমি কিছু নিতে আসিনি। দিতে এসেছি। আমার কিছুর দরকার নাই। আপনাদের যেন সেবা করতে পারি, আপনারা আমাকে সেই সুযোগটুকু শুধু করে দেন। আপনারা আমাকে একটা করে ভোট ভিক্ষা দিয়েন। 

এভাবেই নিজের পক্ষে ভোট চাইলেন মোগরাপাড়া ইউনিয়েনের চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফ উদ্দিন। 

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বাদ জুম্মা নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়েনের ছোট কাজিরগাঁও জামে মসজিদে জুম্মার নামাজের আগে উপস্থিত স্থানীয় মুসল্লীদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন তিনি।

এ সময় মসজিদের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ উপস্থিত মুসল্লীরা সমস্বরে সকল বাঁধা-বিপত্তি পেরিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফ উদ্দিনের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।

পরে আশরাফ উদ্দিনের বাবা-মা সহ ছোট কাজিরগাঁও গ্রামের সকল মৃত ব্যক্তিদের রূহের মাগফিরাত কামনায় অনুষ্ঠিত দোয়ায় অংশ নেন এবং তবারক বিতরণ করেন। 

পরে ওই গ্রামের মেরামতযোগ্য সড়ক পরিদর্শন শেষে এলাকাবাসীর সাথে উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেন এবং আশ্বস্ত করেন।


সোনারগাঁও দর্পণ :

৫ আগস্টের আগে এবং পরে দেশে যে সকল অপকর্ম হয়েছে এবং হচ্ছে তার সিংহভাগই রাজনীতিক আর প্রশাসনের সমন্বয়নে সংগঠিত হয়েছে এবং হচ্ছে। ঠিক একইভাবে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে যে সকল অবৈধ চুনা কারখানা রয়েছে সেগুলোও রাজনৈতিক ব্যক্তি, স্থানীয় প্রশাসন, তিতাসের কতিপয় দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা -কর্মচারীদের সিন্ডিকেট বা যোগসাজসে হচ্ছে। যা বিভিন্ন গণমাধ্যমের কল্যাণে আমরা জানতে পেরেছি।

এছাড়াও সম্প্রতি এক সভায় নারায়ণগঞ্জ -৩ (সোনারগাঁও -সিদ্ধিরগঞ্জ)  আসনের সাংসদ আজহারুল ইসলাম মান্নান নিজেই তা উপস্থিত সকলের সামনেই জানিয়েছিলেন। তারপরও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তরফ থেকে কার্যকর কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছনা সোনারগাঁওয়ে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা প্রায় ৫৬টি চুনা কারখানার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে। তাই আর রাজনীতিক ও প্রশাসনের দিকে তাকিয়ে না থেকে যে সকল এলাকায় অবৈধ চুনা কারখানা গড়ে উঠেছে, সে সকল এলাকার স্থানীয়দের ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দাড়ানোর আহবান জানিয়েছেন "পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন" আয়োজিত সোনারগাঁওয়ে থাকা অবৈধ চুনা কারখানা বন্ধের দাবিতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বক্তারা।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার উদ্ববগঞ্জ এলাকায় "সোনারগাঁও প্রেসক্লাব" এর সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোকাররম মামুনের সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা ছিলেন, সূবর্ণগ্রাম সংস্কৃতি অঙ্গনের সভাপতি কবি শাহেদ কায়েস।

সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অলাভজনক পরিবেশবাদী সংগঠন "পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন" এর সভাপতি কবি রহমান মুজিবের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সোনারগাঁও প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক রবিউল হুসাইন, সুজন সোনারগাঁও শাখার সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, উদীচি সোনারগাঁও শাখার সভাপতি শংকর প্রকাশ, সংগঠনের সহ - সভাপতি মোয়াজ্জেনুল হক, যুগ্ম সম্পাদক মোফাখখার সাগর, কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য রোকেয়া আক্তার, শিপন চৌধুরী প্রমূখ।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাশেদ এহসান, রমিম, সাংবাদিক খায়রুল ইসলাম খোকন,  ইমরান হোসেন, ডালিম হোসেন, বিরুধ আলীসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ইতিহাসে দেশের অন্যতম ঐতিহাসিক, প্রাকৃতিক ও সামাজিকভাবে শান্তিপূর্ণ জনপদ হিসেবে পরিচিত সোনারগাঁও জনপদটিতে বর্তমানে ৫৬টির মতো অবৈধ চুনা কারখানা গড়ে উঠেছে। ফলে, এ অঞ্চলের  চিরচেনা সেই পরিচিত পরিবেশ অবৈধ চুনা কারখানার বিষাক্ত কার্বনে আজ অনেকটাই বিষাক্ত হয়ে উঠেছে। উপজেলার যে সকল এলাকায় অবৈধ চুনা কারখানাগুলো রয়েছে ,  সে সকল এলাকার শিশু, বৃদ্ধসহ নানা বয়সের মানুষ শ্বাসকষ্ট ও চর্মরোগসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এছাড়াও স্থানীয় প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপর ব্যাপক বিরূপ প্রভাব ইতিমধ্যে পরতে শুরু করেছে।

বক্তারা অভিযোগ করেন, সোনারগাঁওয়ে গড়ে ওঠা এ সকল কারখানাগুলোর পিছনে মদদদাতা হিসাবে কাজ করছে স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি, প্রশাসন, তিতাসের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা। এমনকি এই অপকর্মের সাথে কিছু নামধারী বিশেষ পেশার ব্যক্তি জড়িয়ে পরারও অভিযোগ রয়েছে।

মানববন্ধনে বক্তারা তিতাস কর্তৃপক্ষ, শেল্টারদাতা রাজনীতিকসহ পরিবেশ নষ্টকারী অবৈধ চুনা কারখানার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের ঐক্যবদ্ধ সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানান।


সোনারগাঁও দর্পণ :


সোনারগাঁওয়ে মসজিদে প্রবেশ করে পায়ের নিচে পবিত্র কোরআন শরীফ রেখে অনমাননাকারী যুবক ইয়ানবীকে আটক করেছে সোনারগাঁও থানা পুলিশ। আটককৃত ইয়ানবী উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের বড়ভিটা এলাকার মজনু মিয়ার ছেলে। 

এরআগে, সাদিপুর ইউনিয়নের হাজী আব্দুর রহমান জামে মসজিদের ভেতর প্রবেশ করে কুরআন শরীফের উপর দাড়িয়ে কুরআন অবমাননা করে মসজিদ থেকে বেরিয়ে যায়। এ সংক্রান্ত ৫৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরলে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে এলাকাবাসী সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে তাকে সনাক্ত করে আটক করে। খবরপেয়ে পুলিশ ওই যুবককে তাদের হেফাজতে নেয়।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশের দাবি, কোরআন শরীফ অবমাননাকারী একজন নেশাগ্রস্ত। অবমাননার সময়ও সে নেশাগ্রস্ত ছিল বলে তথ্য পাওয়া গেছে। 

পুলিশ জানায়, উক্ত ঘটনায় প্রাথমিকভাবে স্থানীয়দের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলেও আটককৃত ব্যক্তি নেশাগ্রস্থ ভারসাম্যহীন হওয়ায় বর্তমানে উক্ত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। আটককৃতের বিষয়ে  আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


সোনরাগাঁও দর্পণ :

অর্থের বিনিময়ে ভূয়া প্রত্যায়ন দিতেন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের নোয়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আতাউর রহমান। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নোয়াগাঁও ইউনিয়নের পরমেশ্বরদী গ্রামের মৃত তোতা মিয়ার ছেলে মো. মনির হোসেন সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এমনই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

লিখিত অভিযোগে তোতা মিয়ার ছেলে মো. মনির হোসেন উল্লেখ করেন, তাদের (তোতা মিয়া) সকল কাগজপত্রে তার বাবার নাম তোতা মিয়া উল্লেখ রয়েছে। তার বাবার মৃত্যুর পর আতারউর রহমান তার স্বাক্ষরিত মৃত্যু সনদে তোতা মিয়া উল্লেখ করে তাকে সনদ দিয়েছেন। এছাড়াও ওয়ারিশ সনদেও তার বাবার নাম তোতা মিয়া উল্লেখ করে সনদ প্রদান করেন। 

সম্প্রতি পরমেশ্বরদী মৌজায় ১৫শতাংশ তাদের জমি নিয়ে আব্দুল হালিম গংদের সঙ্গে বিরোধ দেখা দেয়। আরএস রেকর্ড মূলে তার বাবা সম্পত্তির মালিক হলেও একটি ভূয়া দলিলের মাধ্যমে এনালগ পদ্ধতিতে ওই জমি নামজারি করে নেন হালিম গংরা। ওই দলিলে দাতা হিসেবে ফজলুল করিম সরকারকে দেখানো হয়েছে। ওই দলিলে ফজলুল করিম নাম থাকায় তোতা মিয়া ও ফজলুল করিমকে একই ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত করে তিনি প্রত্যায়ন দেন। প্রত্যায়নে ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সদস্য নাছিমা'র সনাক্ত মতে দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। 

ঘটনা জানাজানি হলে তিন নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. আবুল কালামের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটিও এক ব্যক্তি নয় বলে প্রতিবেদন দিয়েছেন।  

মো.মনির হোসেন দাবি করেন, নোয়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে তার খালাতো ভাই বারদী ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি নাজমুল হক ও একই ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফ সরকারের প্ররোচনায় এ সনদ দিয়েছেন। 

তিনি অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন, ভূয়া দলিলে নামজারি করে নেওয়ার পর তিনি এসিল্যান্ড অফিসে একটি মিসকেস মোকদ্দমা দায়ের করেন। রেকর্ডীয় সকল প্রকার কাগজপত্রের প্রমাণ থাকার পরও রায়কে ভিন্নখানে নেওয়ার জন্য তোতা মিয়া ও ফজলুল করিম সরকার নামের ব্যক্তিকে একই ব্যক্তি উল্লেখ করে সনদ প্রদান করেন চেয়ারম্যান আতাউর। অথচ, তার বাবার নামে জমির পর্চা, জাতীয় পরিচয় পত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের তোতা মিয়া নাম রয়েছে।

বারদী ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি নাজমুল হককে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি মোবাইল রিসিভ করেননি। তবে ক্ষুদে বার্তা দিলেও সাড়া দেননি।

নোয়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের তিন নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. আবুল কালাম জানান, ওই এলাকায় তদন্ত করতে গেলে বেশির ভাগ মানুষ একই ব্যক্তি নয় বলে জানিয়েছেন। তবে তদন্ত শেষে আমাদের প্রতিবেদনে একই ব্যক্তি না বলে প্রতিবেদন দাখিল করবো। 

নোয়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সদস্য নাছিমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি এমন কোন সনদের সনাক্ত করেননি। চেয়ারম্যান এমনিতেই লিখে দিয়েছেন।  

নোয়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আতাউর রহমান বলেন, একটি দলিলের মূলে তোতা মিয়াকে ফজলুল করিম একই ব্যক্তি উল্লেখ করে সনদ দেওয়া হয়েছে। প্রত্যায়নটি সঠিক হয়নি বিষয়টি জানতে পেরে সনদটি স্থগিত করা হয়েছে। পুনরায় তদন্ত চলছে। তবে শ্রমিকলীগ ও যুবলীগ নেতা আমার পাশ্ববর্তী বাড়ির আত্মীয় আমার কিছু হয়না।

সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাত বলেন, ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  


সোনারগাঁও দর্পণ :

সংবাদ প্রকাশ করায় স্থানীয় সিনিয়র সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম সিরাজকে মেপে দেখার পাশাপাশি হত্যার হুমকির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ব্যবসায়ী মামুন শিকদারের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (১ লা সেপ্টেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে স্থানীয় একটি রেষ্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য জানান "দ্যা নিউ নেশন" পত্রিকার সোনারগাঁও প্রতিনিধি সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম সিরাজ।

সংবাদ সম্মেলনে সিরাজুল ইসলাম সিরাজ অভিযোগ করেন, সম্প্রতি সোনারগাঁওয়ের শপিংমল "আল মদিনা" শপিং মলের মালিক মাজহারুল ইসলাম একটি সংবাদ সম্মেলন করেন। ওই সংবাদ সম্মেলনটি সিরাজ পেশাগত দায়িত্ব থেকে প্রকাশ করেন। আর সেই সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিক সিরাজ কতো বড় সাংবাদিক হয়েছে, তা মেপে দেখবে এবং তাকে হামলা, মামলাসহ হত্যার হুমকি দেয় মামুন শিকদার।

সাংবাদিক সিরাজ আরও জানায়, মামুন শিকদার কলাপাতা রেষ্টুরেন্ট, মিষ্টি ও বেকারী নামে খাদ্যপ্রস্তুত ও বিপনন প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। যে প্রতিষ্ঠানগুলো তিতাসের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা - কর্মচারীদের সাথে আঁতাত করে দীর্ঘ দিন ধরে অবৈধ গ্যাস দ্বারা পরিচালনা করে আসছে। এছাড়া, বেশ কয়েকমাস আগে মামুন শিকদার তার অন্যান্য ভাইদের নিয়ে অপর বড় ভাই মোমেন শিকদারের ওপর হামলা করে ও পিটিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে। সে সংবাদটি গণমাধ্যমে প্রকাশ করার পর থেকে মামুন শিকদার বিভিন্ন সময় সিরাজের ওপর ক্ষিপ্তভাব প্রকাশ করে আসছে। 

তবে সম্প্রতি সময়ের ঘটনা কোন ব্যক্তিগত ক্ষোভ নয়, এ হুমকি স্বাধীন সাংবাদিকতায় মত প্রকাশের অন্যতম বড় হুমকি বলে উল্লেখ করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থার দাবি জানান সাংবাদিক সিরাজ।




সোনারগাঁও দর্পণ :

সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের সদস্য, দৈনিক সংবাদের সোনারগাঁও প্রতিনিধি মাহবুবুল ইসলাম সুমনের বিরুদ্ধে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এর দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সোনারগাঁওয়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা হয়েছে। 

শনিবার (২৯ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

কর্মসূচিতে সোনারগাঁয়ের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করে বলেন, কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা হলে সেটিকে পেশাগত দায়িত্ব পালনের কারণে হয়রানি করা হচ্ছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। 

তারা বলেন, সাংবাদিকরা যেন ভয় বা চাপ ছাড়াই তথ্য সংগ্রহ ও সংবাদ প্রকাশ করতে পারেন, সে পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।

বক্তারা আরও বলেন, কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। তবে অভিযোগের ভিত্তি ও মামলার প্রেক্ষাপট নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করতে হবে। একই সাথে প্রকৃত অপরাধী যে-ই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা এবং নিরপরাধ কাউকে হয়রানি না করার দাবি জানান তারা।

এ ক্ষেত্রে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি পক্ষপাতহীন ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে  সভায় সাংবাদিক সুমনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ ও মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন, নিরপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানি বন্ধ এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান অংশগ্রহনকারী সাংবাদিকরা।


সোনারগাঁও দর্পণ : 

অবৈধ চুনা প্রস্তুতকারী কারখানার কাঁচামাল (চুন পাথর) সরবরাহের সময় ১০ টন পাথরবোঝাই একটি ট্রাক আটক করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার মেঘনা শিল্পনগরী এলাকা থেকে ট্রাকটি আটক করা হয়। 

স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে সোনারগাঁওয়ের মেঘনা শিল্পনগরীসহ বিভিন্ন এলাকায় কোনো প্রকার বৈধ কাগজপত্র ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই একাধিক অবৈধ চুনা ফ্যাক্টরি গড়ে উঠেছে। এসব কারখানার ধোঁয়া ও বর্জ্যে একদিকে এলাকার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। অপরদিকে, অবৈধ কারখানায় অবৈধ গ্যাস সংযোগের ফলে সরকারের লাখ লাখ টাকার গ্যাস পোড়ানোর ফলে বড় অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার দুপুরে উপজেলার মেঘনা শিল্পাঞ্চল এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের দ্বারা পরিচালিত একটি অবৈধ চুনা কারখানার জন্য ১০ টন পাথর নিয়ে আসা একটি ট্রাক আটক করে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। খবর পেয়ে পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেন, সোনারগাঁওয়ে কোনো ধরনের অবৈধ কারখানা বা পরিবেশ বিনষ্টকারী কার্যক্রম চালাতে দেওয়া হবে না। পরে আটক করা ট্রাকটির বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। 

সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক জানান, সংসদ সদস্যের বার্তা পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পাথরবোঝাই ট্রাকটি জব্দ করে থানায় নিয়ে এসেছে এবং এ বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। 

তিতাস গ্যাস মেঘনাঘাট কার্যালয়ের ম্যানেজার সুরঞ্জিত সেন জানান, অবৈধ কোনো কারখানা গ্যাস সংযোগ বা সরকারি সুবিধা নিয়ে থাকলে তা খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget