Halloween Costume ideas 2015
May 2026
অপরাধ অর্থ ও বাণিজ্য আওয়ামী লীগ আড়াইহাজার আদালত আন্তর্জাতিক উত্তরা পূর্ব থানা কাঁচপুর কুমিল্লা খেলাধুলা গজারিয়া গণমাধ্যম গাজীপুর চট্টগ্রাম জাতীয় জামপুর জামায়াত ঢাকা তথ্যপ্রযুক্তি থানা প্রশাসন দাউদকান্দি ধর্ম নরসিংদী নারায়ণগঞ্জ নোয়াখালী নোয়াগাও পর্যটন ও পরিবেশ পিরোজপুর পৌরসভা প্রশাসন ফতুল্লা বন্দর বরগুনা বারদী বিএনপি বিনোদন বৈদ্যের বাজার ভারত ভুলতা মুন্সিগঞ্জ মোগরাপাড়া রাজনীতি রাজনীতি. রাজনীতি. বিএনপি রাজনীতি.মোগরাপাড়া রাজশাহী রূপগঞ্জ র‌্যাব র‌্যাব-11 শম্ভুপুরা শিক্ষা শিক্ষা ও সংস্কৃতি শিবির সন্মান্দি সংস্কৃতি সাদীপুর সাভার সারাদেশ সিদ্ধিরগঞ্জ সিভিল প্রশাসন সিলেট সেনা সোনারগাঁও স্বাস্থ্য কথা হাইওয়ে পুলিশ


সোনারগাঁও দর্পণ :

মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' ঘোষণা করে নারায়ণগঞ্জ-৩ ( সোনারগাঁও-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেছেন, যুব সমাজকে রক্ষায় মাদক কারবারিদের বিষয়ে কোন ছাড় দেওয়া হবে না।

সোমবার (১১ মে) সকালে সোনারগাঁও উপজেলা সভাকক্ষে আয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন। 

তিনি বলেন, একটি নিরাপদ ও সন্ত্রাসমুক্ত সোনারগাঁও গড়তে প্রশাসনকে সব ধরনের রাজনৈতিক সহযোগিতা করা হবে। তিনি বলেন, আমরা সোনারগাঁওকে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। তাই জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।

সমাজের তৃণমূল পর্যায়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং দীর্ঘসূত্রিতা কমিয়ে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে গ্রাম আদালত ব্যবস্থা পুনরায় সচল করার ওপর জোর দিয়ে মান্নান বলেন, সরকার গ্রাম আদালতের মাধ্যমে মানুষের মধ্যকার সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করতে চায়। তিনি বলেন, গ্রাম আদালতের মাধ্যমে ছোটখাটো বিরোধ স্থানীয়ভাবে মিমাংসা হয়। ফলে সাধারণ মানুষকে আইনি হয়রানি ও দীর্ঘ ভোগান্তি পোহাতে হয় না। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই কার্যকর ব্যবস্থা চালু করেছিলেন, যা পরবর্তীতে অবহেলার শিকার হয়। ফলে সমাজে অপরাধ ও বিশৃঙ্খলা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হয়েছিল।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা, কাঁচাবাজার ব্যবস্থাপনা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


সোনরাগাঁও দর্পণ : 

সোনারগাঁওয়ে একই রাতে দুই বাড়িতে ডাকাতি পরবর্তী স্থানীয় যুবদল সভাপতির বাড়িতে ডাকাতদলের অগ্নিসংযোগের ঘটনার ৫ দিন অতিবাহিত হলেও কোন আসামী গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষুব্দ গ্রামবাসী আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। 

সোমবার (১১ মে) বিকালে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের পাঁচআনী ও চরগেয়ালদী মীর বহরকান্দী গ্রামের ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা এ ঘোষণা দেন। 

স্থানীয় সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার বিকালে সরেজমিনে ইউনিয়নের চরগোয়ালদী শফিকুলের বাজার এলাকা গেলে স্থানীয়রা জানায়, গত ৭ মে রাত আনুমানিক ১১টার দিকে চরগেয়ালদী মীর বহরকান্দী গ্রামের মৃত শফিকুলের তিন ছেলে রানা (৪৫), রাজু (৩৮) ও রাজিব (৩৬) এবং হযরত আলীর ছেলে জলিল ওরফে দালাল জলিল (৫৫) এর নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকার ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল দেশীয় এবং আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে একই এলাকার আলিম মিয়ার ছেলে প্রবাসী আবু কালামের বাড়িতে প্রথম হামলা করে। 

বাড়ির নারীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সাত ভরি স্বর্ণ, দুই লাখ নগদ টাকা. ৫টি মোবাইল, একটি ল্যাপটবসহ বিভিন্ন দামি জিনিস পত্র নিয়ে যায়। এ সময় বাড়িতে পর্যাপ্ত বয়সের কোন পুরুষ না থাকার সুযোগে ডাকাত দল নারীদের শ্লীলতাহানিরও চেষ্টা করে বলে নারীরা অভিযোগ করে। 

পরে একই এলাকার রমিজের বাড়িতে স্বসস্ত্র ডাকাত দল হামলা করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। 

এদিকে, একই গ্রামে পরপর দুটি বাড়িতে ডাকাতি করে চলে যাওয়ার সময় রাত আনুমানিক ১২টার দিকে পাশর্^বর্তী চরগোরালদী গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি শহিদুল্লাহ সরকারের বাড়িতে হামলা করে ডাকাতরা। 

এ সময় সরকার বাড়ি ও গ্রামের লোকজন টেরে পেয়ে ডাকাত-ডাকাত বলে চিৎকার শুরু করলে ডাকাতদল পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় শহিদুল্লার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে ডাকাতরা। 

চরগোয়ালদী গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি শহিদুল্লাহ সরকার বলেন, ডাকাতির পর ভুক্তভোগী পরিবার থেকে থানায় অভিযোগ করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে এবং দ্রুততম সময়ে আসামীদের আইনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু আসামী ও তার সহযোগিরা এলাকায় ঘোরাফেরা করলেও পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছে না। 

এদিকে আসামীদের গ্রেফতার না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এলাকাবাসী জানান, আবারো কোন পরিবার ডাকাতির কবলে পরার আগে গ্রামবাসী ডাকাত বা তাদের সহযোগিদের পেলে নিজেরাই আইন হাতে তুলে নিবেন বলে হুমকী দেন। 

তাদের দাবি, পুলিশ ভয়ে অভিযান করছেনা ফলে ডাকাতদের ধরছেনা। যেহেতু পুলিশ ভয়ে আসেনা, সেহেতু আমাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা আমাদেরই করতে হবে। তাই এলাকাবাসী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ আর ডাকাতদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।

গ্রামবাসীরা জানায়, শুধু রানা বা তার ভাইরাই নয়, রানার স্ত্রী এলাকায় লেডী গুন্ডা হিসেবে পরিচিত। এই মহিলা রানাকে এলাকার সবচেয়ে বড় গুন্ডা আখ্যাদিয়ে তাকে কোন থানা পুলিশ বা এলাকার কেউ কিছু করতে পারবেনা বলে দাবি করে। 

এ ব্যাপারে সোনারগাঁও থানায় সদ্য (১ মে ২০২৬ ইং) যোগদানকারী অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম সারোয়ার বলেন, এ ব্যাপারে থানায় কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। তাই কিছু বলতে পারছিনা।

ডাকাতির ঘটনার পর থানায় অভিযোগ করা হয়েছে এবং একজন এসআই (এস আই হারুন) ঘটনাস্থলেও গিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের এমন দাবির কথা পূণরায় জানালে তিনি পরক্ষণে আবারও দাবি করেন, থানায় কোন লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। 


MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget