Halloween Costume ideas 2015
December 2025
অপরাধ অর্থ ও বাণিজ্য আওয়ামী লীগ আদালত আন্তর্জাতিক উত্তরা পূর্ব থানা কাঁচপুর খেলাধুলা গজারিয়া গণমাধ্যম গাজীপুর চট্টগ্রাম জাতীয় জামপুর জামায়াত ঢাকা তথ্যপ্রযুক্তি থানা প্রশাসন দাউদকান্দি ধর্ম নরসিংদী নারায়ণগঞ্জ নোয়াখালী নোয়াগাও পর্যটন ও পরিবেশ পিরোজপুর পৌরসভা ফতুল্লা বন্দর বরগুনা বারদী বিএনপি বিনোদন বৈদ্যের বাজার ভারত ভুলতা মুন্সিগঞ্জ মোগরাপাড়া রাজনীতি রাজনীতি. রাজনীতি. বিএনপি রাজনীতি.মোগরাপাড়া রাজশাহী রূপগঞ্জ র‌্যাব র‌্যাব-11 শম্ভুপুরা শিক্ষা শিক্ষা ও সংস্কৃতি শিবির সন্মান্দি সংস্কৃতি সাদীপুর সাভার সারাদেশ সিদ্ধিরগঞ্জ সিভিল প্রশাসন সিলেট সেনা সোনারগাঁও স্বাস্থ্য কথা হাইওয়ে পুলিশ


সোনারগাঁও দর্পণ : 

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে নদ থেকে অজ্ঞাত এক পুরুষের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে বন্দরের কলাগাছিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের একরামপুর গ্রামের ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

কলাগাছিয়া নৌ-পুলিশের পরিদর্শক সালেহ আহম্মদ পাঠান জানান, নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। নৌ-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মরদেহটি প্রায় ৫ থেকে ৬ দিন আগের হতে পারে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং নিহত ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। 

এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।



সোনারগাঁও দর্পণ :

সোনারগাঁওয়ে পাশাপাশি তিন গ্রমের ৪টি বাড়িতে হামলা করে ঘর ও ঘরে থাকা আসবাবপত্র ভাঙচুরের পাশাপাশি লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে সোনারগাঁও উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের পাঁচ আনী, খাঁসেরগাঁও এবং মীর বহতের গাঁওয়ে এ সকল ঘটনা ঘটে। 

স্থানীয় সূত্র জানায়, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মীর বহতের গাঁওয়ের সফিকুলের ছেলে রানা, খাঁসের গাঁওয়ের চইক্কার ছেলে জলিল, পাঁচ আনী গ্রামের দরবেশ মৌলভীর ছেলে মাহি ও খাঁসেরগাঁও ভুম্বাতলার আক্তারের বাড়িতে স্থানীয় সন্ত্রাসী মনির মেম্বারের নেতৃত্বে মনির মেম্বার, তার ছেলে বাবু, জাহিদ ও ছোট কোরবানপুর গ্রামের সন্ত্রাসী রাসেল গ্রুপের কমপক্ষে ৬০ থেকে ৭০ জন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষ মীর বহতের গাঁওয়ের সফিকুলের ছেলে রানা, খাঁসেরগাঁওয়ের চইক্কার ছেলে জলিল, পাঁচ আনী গ্রামের দরবেশ মৌলভীর ছেলে মাহি ও খাঁসেরগাঁও ভুম্বাতলার আক্তারের বাড়িতে হামলা চালায়। 

এ সময় সন্ত্রাসীরা হামলার শিকার ঘরগুলো থেকে নারী ও শিশুদের বের করে দিয়ে মূল্যবান আসবাবপত্র ভাঙচুর করে আগুণ লাগিয়ে দেয়। আগুনে সবগুলো ঘরের আসবাবপত্র পুড়ে যায়। এ সময় ঘরের ভিতরে থাকা স্বর্ণ, টাকা পয়সা লুট করে বলেও সূত্র জানায় ।

এ ব্যাপার সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিবুল্লাহ বলেন, ঘটনাটি জানা নেই বা এখনো কেউ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




সোনারগাঁও দর্পণ : 

সোনারগাঁওয়ে এক রাতে তিন স্থানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাতদল একজন প্রবাসীসহ ৭ জনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে পাসপোর্ট, নগদ টাকা, মোবাইল সেটসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে গেছে। বুধবার দিবাগত রাত তথা বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) ভোরে উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পিরোজপুর ইউনিয়নের নয়াগাঁও, আষাঢিয়ার চর এবং পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় ডাকাতির ঘটনাগুলো ঘটে। কাতার প্রবাসী রিফাতুজ্জামান বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে সোনারগাঁও থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে।  

সোনারগাঁও থানায় দায়ের করা অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, কুমিল্লার ব্রাহ্মনপাড়া থানার মানরা গ্রামের কাতার প্রবাসী রিফাতুজ্জামান ছুটি শেষে গত বুধবার রাতে মাইক্রোবাস (কুমিল্লা-চ-৫১-০০২৬) দিয়ে হজরত  শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

 বৃহস্পতিবার ভোর রাত আনুমানিক সোয়া তিনটার দিকে সোনারগাঁও এলাকার পিরোজপুর ইউনিয়নের নয়াগাঁও এলাকায় ট্রাফিক যানজটে আটকা পড়ে। এসময় ১০/১২ জনের এক দল ডাকাত পিস্তল, রামদা, চাপাতিসহ দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে প্রবাসীর গাড়িতে হামলা করে গাড়ির সামনের ও সাইটের গ্লাস ভেঙে প্রবাসী রিফাতুজ্জামানসহ তার পরিবারের ৭ জনকে এলোপাতাড়িভাবে পিটিয়ে মারাত্বকভাবে জখম করে।

ডাকাতি কাজে বাঁধা দেওয়ায় ডাকাতরা প্রবাসীর সহযোগী মনিরুল ইসলামর হাতে কোপ মেরে রক্তাক্ত জখম করে। পরে ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে সবাইকে জিম্মি করে প্রবাসীর সাথে থাকা তিনটি স্মার্ট মোবাইল সেট, নগদ ৩০ হাজার ২ শ টাকা, প্রবাসীর পাসপোর্ট, বিমানটিকিটসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। পরে প্রবাসীসহ আহতরা স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা নেয়।  

আহত কাতার প্রবাসী রিফাতুজ্জামান জানান, তিনি ছুটি শেষে কাতার যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকার বিমানবন্দরে যাচ্ছিলেন। পথে সোনারগাঁওয়ে ডাকাতদের কবলে পড়ে। ডাকাতরা তাদেরকে মারধর করে তার পাসপোর্ট, বিমান টিকিটসহ মূল্যবান কাগজপত্র, মোবাইল, টাকা পয়সা লুট নিয়ে যায়। তিনি এখন কাতার যেতে পারছেন না। 

এদিকে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে বুধবার (২৪ডিসেম্বর) রাত দেড়টার দিকে মহাসড়কের পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় ডাকাতির হামলার শিকার হোন  কুমিল্লার লালমাই থানার বিএনপির নেতা শহীদ, বাবুল মেম্বার, মনির হোসেনসহ কয়েকজন বিএনপি নেতা। ডাকাতরা তাদের গাড়ি ভাংচুর করে নগদ টাকা, মোবাইল সেটসহ সর্বস্ব লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় হামলায় আহত হন বিএনপির ৫ নেতা।

এছাড়াও বুধবার মধ্যরাতে আষাড়িয়ারচর এলাকায় ডাকাতির হামলায় শিকার হন নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ফখরুদ্দিন ফিরোজসহ কয়েকজন বিএনপি নেতা। 

তারা মাইক্রোবাসে করে পুর্বাচল তিন শ’ ফিট যাচ্ছিলেন। ডাকাতরা গাড়িতে থাকা বিএনপি নেতাদের হকিষ্টিক দিয়ে পিটিয়ে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ৫/৭টি মোবাইল সেট ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় হকিষ্টিক ও ধাঁরালো অস্ত্রের আঘাতে ৫ জন বিএনপি নেতা আহত হয়। 

সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিবুল্লাহ জানান, মহাসড়কে প্রবাসীর গাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। অন্য কোথায় ডাকাতির ঘটনা শুনিনি বা কেউ কোন অভিযোগও নিয়ে আসেনি।


সোনারগাঁও দর্পণ :

সোনারগাঁওয়ে এক স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা দ্বারা সরকারি হাসপাতালের জমি দখল এবং থানা পুলিশকে উদ্দেশ্য করে সন্ত্রাসী-মাদক ব্যবসায়ীর অকথ্য ভাষায় গালাগালির পরও পুলিশের নিষ্ক্রিয় ভূমিকায় ব্যাপক তোলপাড় হয়েছে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায়। 

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে স্থানীয় প্রশাসনের মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এক সরকারি কর্মকর্তা এবং অপর এক গণমাধ্যমকর্মীর উত্থাপিত দুটি পৃথক বিষয়ে আলোচনা পর্বে এ তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়। 

পরে সভা শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতিতে হাসপাতালের জমিতে থাকা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার নির্মিত অবৈধ স্থাপনার অংশ বিশেষ উচ্ছেদ করা হয়।

জানাযায়, বুধবার সকালে সোনারগাঁও উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে ইউএনও আসিফ আল জিনাতের সভাপতিত্বে আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সোনারগাঁও পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক অমিত হাসান জোরপূর্বক অবৈধভাবে আঁধাপাকা মার্কেট নির্মাণ করছেন এবং এ বিষয়ে বাঁধা দেওয়ার পরও কোন প্রতিকার না হওয়ায় তার অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: সুমাইয়া ইয়াকুব।

তিনি বলেন, উপজেলার ব্যস্ততম মোগরাপাড়া চৌরাস্তা-বারদী সড়কের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় তিন রাস্তার মোড়ে সরকারী জমি দখল করে সোনারগাঁও পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক অমিত হাসান জোরপূর্বক অবৈধভাবে আধাপাকা মার্কেট নির্মাণ করছেন। 



তিনি অভিযোগ করেন, প্রশাসনের নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে প্রতিদিন রাতে ও দিনে অবৈধভাবে মার্কেট নির্মাণের কাজ অব্যাহত রেখেছেন। এতে করে ওই সড়কের চলাচলকারী বিভিন্ন পরিবহন যাত্রীরা চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছেন। 

আইনশৃঙ্খলা সভায় সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.সুমাইয়া ইয়াকুব বলেন, হাসপাতালের জমি দখলই নয়, তার কমপ্লেক্সের ভেতরে রাতের বেলায় বহিরাগতরা ঢুকে মাদক সেবন করে। এছাড়াও ছিনতাইয়ের মতো ঘটনাও ঘটছে। হাসপাতালের ভেতরে প্রভাবশালীরা প্রবেশ করে চিকিৎসকদের হুমকি দিয়ে ফ্রি ঔষধ লিখিয়ে নিচ্ছেন। দিন রাত হাসপাতালের ভেতরে গাড়ি পার্কিং করে হাসপাতালকে গাড়ির গ্যারেজে পরিণত করা হয়েছে। এ বিষয়গুলো নিয়ে তিনি অসহায় হয়ে পড়েছেন।

অপরদিকে, সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক সম্প্রতি উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়েনে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে সম্প্রতি এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে আহত করে ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া, ওই ঘটনার দুই দিন পর একই ইউনিয়নের কাবিলগঞ্জ থেকে ৭ লাখ টাকা ছিনতাই, একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আসামী ধরতে গিয়ে পুলিশের উপর হামলা করে আসামীকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা এবং ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আসামীর লোকজন ফেসবুকে সরাসরি থানা পুলিশকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পরও পুলিশের নিরব ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এ দুই বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটি সভায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। 

এ সময় সকলকে শান্ত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জমিতে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন এবং সভা শেষে  স্থাপনাটির অংশ বিশেষ ভেঙে দেন।

সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিবুল্লাহ থানায় নতুন যোগদান করায় ছিনতাইয়ের ঘটনাগুলো জানা নাই বলে জানান। তবে, পুলিশের ওপর হামলা করে আসামি ছিনতাই এবং ফেসবুকে গালাগাল করার ঘটনায় পুলিশ কাজ করছে বলে জানান। 

সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত বলেন, সড়কের পাশে হাসপাতালের জমিতে গড়ে তোলা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। বাকি অংশও উচ্ছেদ করা হবে।



সোনারগাঁও দর্পণ :

দুর্বৃত্তদের হাতে খুলনার ডুমুরিয়ার স্থানীয় সাংবাদিক ইমদাদুল হক মিলন নিহতের ঘটনায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে সোনারগাঁওয়ে কর্মরত সকল প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।  সোনারগাঁওয়ে কর্মরত সকল প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের আয়োজনে বুধবার 

(২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা বাস স্ট্যান্ড এলাকায় এ কর্মসূচী পালন করা হয়। 

কর্মসূচিতে বক্তারা ইমদাদুল হক মিলনসহ দেশের সকল সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের বিচার দ্রুত শেষ  করার দাবি জানান। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেন আর কোন সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা না ঘটতে পারে সে লক্ষে দৃশ্যত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট সকলের সু-হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

বক্তারা বলেন, চট্টগ্রামের মুহুরি হত্যা, খুলনার বালু হত্যা, খুলনার রূপসায় বুলু হত্যা, সাগর-রুনী হত্যা এবং প্রথম আলো আর ডেইলি স্টারে  বিচার না হওয়া চর্চার ফসল খুলনার ইমদাদুল হক মিলন হত্যাকাণ্ড। বিগত দিনগুলোতে দেশের ক্ষমতায় আসীন বিভিন্ন সরকার সাংবাদিক নির্যাতন ও হত্যার কোন বিচার করতে ব্যর্থ তথা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ বলে উল্লেখ করেন। 

তারা বলেন, ভবিষ্যতে কোন সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার হলে আর মৌখিক আশ্বাসে বন্দি না থেকে কার্যত পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানান অংশগ্রহনকারীরা।

সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, সাংবাদিক হাসান মাহমুদ রিপন, আল আমিন তুষার, মনিরুজ্জামান মনির, মোকাররম মামুন, রবিউল হুসাইন, মিজানুর রহমান মামুন, শাহাদাত হোসেন রতন, ফরিদ হোসেন, মাঝহারুল ইসলাম, ইমরান হোসেন, রুবেল মিয়া, মশিউর রহমান, কামরুজ্জামান রানা বক্তব্য রাখেন। 

এসময় এরশাদ হোসেন অন্য, নুরুন্নবী জনি, হাবিবুর রহমান, কবির হোসেন, মাসুদ রানা, হুমায়ুন কবির, সজীব হোসেন, নাসির উদ্দিন, মনির হোসেন, সালাউদ্দিন, ডালিম হোসাইন, কামরুল ইসলাম পাপ্পু, তৌরভ হোসেন, রাসেলসহ সোনারগাঁয়ে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।



সোনারগাঁও দর্পণ :

সোনারগাঁওয়ে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে প্রায় ১৫টি দোকান পুড়ে ছাঁই হয়েছে। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে মোগরাপাড়া ইউনিয়েনের হাবিবপুর ঈদগাহ এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।

বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের। সোনারগাঁও ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট প্রায় ঘন্টাব্যাপী চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে।

স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা বাসস্ট্যান্ডের খানিক দুরে হাবিবপুর ঈদগাহ এলাকা মুজিবুরের ভাঙ্গারী দোকান থেকে বিকেলে পৌনে চারটার দিকে বৈদ্যুতিক শর্ক সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুনে একাধিক ফার্নিচার দোকান, মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকান, খেলনার দোকান, স্টীলের আলমারীর তৈরির  দোকানসহ ১৫টি দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। 

খবর পেয়ে সোনারগাঁও ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় ঘন্টাব্যাপী চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে।

দোকান মালিকদের দাবি, আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে কিছু মালপত্র বের করতে পারলেও সব কিছু বের করা সম্ভব হয়নি। ফলে বেশিরভাগ মালামাল পুড়ে যায়। আগুনে তাদের ১৫টি দোকানের কমপক্ষে ৬৫/৭০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান, ব্যাংক ও বিভিন্ন এনজিও প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে তারা ব্যবসা করে আসছিল। এ অগ্নিকাণ্ডের কারনে তারা অর্থনৈতিকভাবে বড় ধরনের ক্ষতিতে পড়েছেন।

সোনারগাঁও ফায়ার সার্ভিসের সাব স্টেশন অফিসার ওসমান গণি জানান, একটি ভাঙ্গারী দোকানের বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত। তাদের দুটি ইউনিট প্রায় এক ঘন্টার চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রনে নেয়।

সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিবুল্লাহ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সাথে পুলিশ সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রনে কাজ করেছেন। ঘন্টাব্যাপী আগুনে প্রায় ১৫টি দোকান পুড়েছে। 


সোনারগাঁও দর্পণ :

সরকারিকরনের আগে লেখাপড়ার মান ছিল চোখে পরার মতো। ছিল জেলার ৫টি ভালো মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঈর্ষা করার মতো একটি। অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের অনেক প্রত্যাশা ছিলো প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষক হিসেবে কাজ করার। করতে পারলে নিজেকে গর্বিত মনে হতো। যাদের ভাগ্য প্রসন্ন তারা শিক্ষক হিসেবে গর্বের সাথে পরিচয় দিত। শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও তাই। আর সরকারি করনের পর শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন সর্বত্র। দাবি শিক্ষার মান ঠেঁকেছে তলানিতে। 

স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যালয়টি এখন দুর্নীতির আতুরঘরে পরিণত হয়েছে। বলছিলাম নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়েনের ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী মোগগরাপাড়া এইচ,জি,জি, এস স্মৃতি বিদ্যায়তন বা মোগরাপাড়া হরিদাস, গৌর,গোবিন্দ, শ্যাম সুন্দর স্মৃতি সরকারি উচ্চ বিদ্যায়তনের কথা। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, চলতি বছরের ২১ সেপ্টেম্বর  বিসিএস শিক্ষা প্রশাসনের মো: শাহ আলম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে প্রধান শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পান। নিয়োগ হওয়ার পর থেকেই তিনি নিজেকে সর্বেসর্বা'র আসনে বসিয়ে করে যাচ্ছেন অনৈতিক যত কর্মকাণ্ড। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি নিয়ম- নীতির তোয়াক্কা না করে স্কুলের ১৭শ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত বেতনের চেয়ে একশত টাকা বেশি নিয়ে প্রতি মাসে আদায় করছেন এক লাখ সত্তুর হাজার টাকা। এছাড়া সাথে অন্যান্য অদৃশ্য খরচ দেখিয়ে আদায় করছেন আরও একশত করে মোট দুই শত টাকা। অর্থাৎ, জনপ্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত খরচের চেয়ে দুই শত টাকা বেশি আদায় করছেন। 

তারা জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে ১৭শ শিক্ষার্থী থাকলেও প্রধান শিক্ষক মাত্র ১৩/১৪ জন অভিভাবকের সাথে কথা বলে খন্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ এবং তাদের খরচের জন্য অতিরিক্ত টাকার কথা জানান। সে সময় উপস্থিত অভিভাবকদের মধ্যে মাত্র ৪জন সম্মতিসূচক স্বাক্ষর করেন।

যদিও অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের দাবি, স্কুলটিতে শিক্ষার্থী তুলনায় শিক্ষক অপ্রতুল। অতিরিক্ত যে টাকা নিচ্ছেন তা সেই সকল খন্ডকালীন শিক্ষকদের বেতন হিসেবেই নেওয়া হচ্ছে। 

অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষার্থী আসন নির্দিষ্ট থাকায় ভর্তি প্রক্রিয়া লটারি ভিত্তিতে হলেও সেখানেও সুকৌশলে  শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিনা রিসিটে অফিস খরচের নামে আদায় করা হচ্ছে ১২ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা আবার কোন কোন ক্ষেত্রে এর চাইতেও বেশি।

অভিভাবকদের দাবি, প্রতিষ্ঠানটি সরকারি হলেও তারা সম্তানদের বেতন-ভাতা দিচ্ছেন প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের চেয়েও বেশি। তারপরও প্রত্যাশা করেন, খরচ বেশি দিয়ে হলেও যেন লেখাপড়ার মান ভালো হয়। তা না হলে তখনই সমস্যা দেখা দিবে।

স্থানীয়দের দাবি, সকল দুর্নীতির অবসান ঘটিয়ে উন্নত শিক্ষা বিস্তারে ১৯৩৪ সাল থেকে স্ব-গৌরবে মোগরাপাড়া এইচ,জি,জি, এস স্মৃতি সরকারি 

বিদ্যায়তনটি সুনামের সাথে যেভাবে তার শিক্ষা কার্যক্রম সুচারুভাবে করে এসেছে, সরকারি করনের পরও সে সুনাম সমুন্নত রেখে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও একইভাবে সঠিক ও গুণগত শিক্ষা প্রদান করবে, এমনটাই প্রত্যাশা।




সোনারগাঁও দর্পণ :

যোগদানের পরপরই গত ৮ ডিসেম্বর স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে এক মত বিনিময় সভায় সদ্য যোগদানকারী সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসিফ আল জিনাত কথা দিয়েছিলেন, সোনারগাঁওয়ের যে কোন অনৈতিক কাজ উৎখাত করে সুষ্ঠু সমাজ গঠনে অগ্রণী ভুমিকা রাখবেন। তিনি কথা রেখেছেন। 

তার নেতৃত্বে সোনারগাঁওয়ের কাঁচপুর বালুর মাঠে বিজয় মেলার নামে আয়োজিত অবৈধ মেলা বন্ধ করে দিয়েছেন। 

রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তিনি ওই মেলা উচ্ছেদ করেন।

এরআগে, দৈনিক খবরের কাগজ পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে ‘সোনারগাঁয়ে বিএনপি নেতার ভাই ভাতিজার অবৈধ বিজয় মেলার আয়োজন’ শিরোনামে এক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। 

প্রতিবেদনটি স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আসে এবং অবৈধ মেলা উচ্ছেদ অভিযান চালায়।

উচ্ছেদ অভিযানের সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, সোনারগাঁও উপজেলা সহকারী কমিশনার (কাঁচপুর সার্কেল) ফাইরুজ তাসনিম, সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিবুল্লাহ, সোনারগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রাশেদুল হাসান খানসহ থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা -কর্মচারীরা।

সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিবুল্লাহ বলেন, জেলা প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়া মেলা আয়োজন অবৈধ। অবৈধভাবে লোক সমাগম করার অধিকার কারো নেই। এছাড়াও মেলায় মাদক বেচা কেনা ও জুয়ার বোর্ড বসানোর অভিযোগ রয়েছে। ফলে মেলাটি উচ্ছেদ করা হয়েছে। 

সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত জানান, যেহেতু মেলা বসানোর অনুমতি দেওয়া হয়নি, সেহেতু এটি অবৈধ । আগামী সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তফসিল ঘোষনার পর কোন প্রকার জমায়েত করার সুযোগ নেই। তাই অবৈধ মেলাটি উচ্ছেদ করা হয়েছে।



গত ৪ ডিসেম্বর সোনারগাঁওয়ের অন্যতম বহুল প্রকাশিত নিউজ পোর্টল "সোনারগাঁও দর্পণ" এ "সোনারগাঁওয়ে ফের রাসেল - পিয়েল গ্রুপ বে-পরোয়া, পিয়েল গ্রুপের মনসুরকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা" শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, সে সংবাদে রাসেলকে সন্ত্রাসী,মাদক ব্যবসায়ী ও ডাকাতের সর্দার আখ্যায়িত করার প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাসেল। গত শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর)  দুপুরে "সোনারগাঁও দর্পণ" এর মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করে (কল রেকর্ড সংরক্ষিত) তিনি এ প্রতিবাদ জানান। 

সংবাদটিতে রাসেলের নামের সাথে যে সকল বিশেষন ব্যবহার করা হয়েছে তার কোনটার সাথেই তিনি জড়িত নন দাবি করে রাসেল জানান, পিয়েল যাদের সাথে  মারামারি করেছেন, তারা আত্মীয়তার দিক দিয়ে মামাতো -ফুফাতে ভাই। তাদের সাথে তার কোন রকম সম্পৃক্ততা নাই। অথচ তাদের সাথে রাসেলকে জড়িয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। 

এছাড়া গত কয়েক মাস আগে পিরোজপুর ইউনিয়নের পাঁচআনীতে মনির মেম্বারের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সেখানেও রাসেলকে গডফাদার হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে, যার সাথে রাসেলের কোন রকম সম্পৃক্ততা নেই বলে তিনি প্রতিবাদে দাবি করেন। 

রাসেল জানান, মনির মেম্বারের প্রতিপক্ষের সাথে এ দ্বন্দ্ব দীর্ঘ দিনের। রাসেলের বয়স যখন কম, তেমন কিছুই বুঝেননা, তখন থেকেই তিনি শুনে আসছেন এবং বুঝ হওয়ার (প্রাপ্ত বয়স্ক) পর থেকেই তাদের (মনির মেম্বারের প্রতিপক্ষের সাথে) সাথে আধিপত্য নিয়ে ঝামেলা হচ্ছে বলে দাবি করেন।

এছাড়া মাদক বা ডাকাতের সর্দার আখ্যা দিয়ে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে তাও সত্য নয়। মনগড়া মিথ্যা তথ্য জুড়ে দেওয়া হয়েছে। গত ৮ বছর ধরে তিনি রাজধানীর মোতালেব প্লাজায় মোবাইলের ব্যবসা করেন। ১৬ বছর আগেও তিনি চৌরাস্তা এলাকায় মোবাইল ব্যবসা করতেন। মাদক ব্যবসা তার করার কথাতো অনেক পরের বিষয়, তিনি কখনো একটা সিগারেটেও টান দেননি। আর ডাকাতি (!), তিনি কখনো কাউকে একটা চর মেরেছেন বলে তার এলাকায় কেউ বলতে পারবে না বলে তিনি দাবি করেন।

প্রমাণ হিসাবে সোনারগাঁওয়ের একজন প্রতিষ্ঠিত মোবাইল ব্যবসায়ীর নাম উল্লেখ করেন যেন তার কাছ থেকে সত্যিটা (তার ভাষায়) জানা যায়। 


প্রতিবেদকের বক্তব্য :


প্রথমত :

গত ৪ ডিসেম্বর সোনারগাঁওয়ের অন্যতম বহুল প্রকাশিত নিউজ পোর্টল "সোনারগাঁও দর্পণ" এ " 

"সোনারগাঁওয়ে ফের রাসেল - পিয়েল গ্রুপ বে-পরোয়া, পিয়েল গ্রুপের মনসুরকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা" শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে সে সংবাদের অভিযুক্তদের সাথে প্রতিবেদকের কোন ব্যক্তিগত, পারিবারিক, গোষ্ঠীগত বা ব্যবসায়ী কোন সম্পর্ক নাই, ফলে মিথ্যা তথ্য দিয়ে মনগড়াভাবে সংবাদ প্রকাশ দাবি করা শুধু অযৌতিকই নয়, হাস্যকরও বটে। 

দ্বিতীয়ত : 

প্রকাশিত সংবাদের কোথাও একটি বারের জন্যও বলা হয়নি, রাসেল নিজে হামলা করেছে। সংবাদটিতে শুধু মাত্র তার নিয়ন্ত্রীত বাহিনীর সদস্যদের কথা বলা হয়েছে। 

তৃতীয়ত : 

প্রতিবেদক প্রতিবেদনটিতে কোন পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেননি। প্রতিবেদনে উভয় গ্রুপের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের কথাই বলা হয়েছে। এককভাবে কাউকে খারাপ বা ভালো বলে জাহির করা হয়নি। 

চতুর্থত : 

রাসেলের নামের সাথে যুক্ত হওয়া বিশেষণ তার দীর্ঘদিনের কর্মকাণ্ডের ফলশ্রুতিতে থানায় একাধিক হত্যা, মাদক, চাঁদাবাজী ও মারামারিসহ ডজন খানেক মামলার ফসল। যা এলাকাবাসী, থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে পাওয়া। প্রতিবেদনটিতে প্রতিবেদকের নিজস্ব কোন মতামত বা উক্তি প্রকাশ করা হয়নি।

এছাড়া, জীবনে কখনও সিগারেট পান করা বা কাউকে একটা চর না দেওয়ার বিষয়ে বলতে গেলে বলা যায়, দেশ-বিদেশের বিভিন্ন অপরাধের গডফাদারদের জীবনী অনুসন্ধান করলে জানা যায়, কোন গডফাদাররাই মানুষ ন্যুনতম খারাপ বলে বা মানুষের চোখে খারাপ কিছু পড়ে তারা প্রকাশ্যে তেমন কোন কাজ করেনা। অথচ অন্ধকার জগতটাই নিয়ন্ত্রণ করে তারা। হয়তো তার (রাসেল) ক্ষেত্রেও হয়তো তিনি তেমনটাই অনুসরণ করার চেষ্টা করেন। 

(সোনারগাঁও দর্পণ)






সোনারগাঁও দর্পণ : 

সোনারগাঁওয়ের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করছেন সদ্য যোগদান করা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত। 

রবিবার (৮ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষ "অর্কিড" কক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। 

অনুষ্ঠানের শুরুতে পরিচয় পর্ব শেষে স্থানীয় নানান সমস্যার কথা  তুলে ধরে সাংবাদিকরা ইউএনওকে আন্তরিকতার সাথে উপজেলার সমস্যাগুলো সমাধান করার চেষ্টা করার আহবান জানান। পাশাপাশি যে কোন ভালো কাজে সাংবাদকর্মীদের ডাকলে তাকে সহযোগিতা করবেন বলেও আশ্বস্ত করেন। 

একইভাবে সাংবাদিকরা যেন নতুন ইউএনও'র বিপক্ষে কোন সংবাদ প্রচার বা প্রকাশ করতে না হয়, তিনি সে ভাবেই তার দফতরগুলোকে পরিচালিত করবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাংবাদিকদের সাথে নিয়ে সমস্যাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে  সমাধানের আশ্বাস দেন। পাশাপাশি সোনারগাঁওয়ের সার্বিক উন্নয়ন, সুষ্ঠু প্রশাসনিক কার্যক্রম, গণসেবার মানোন্নয়ন ও গণমাধ্যমের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।

অনুষ্ঠানে সোনারগাঁওয়ের ঐতিহ্যবাহী সাংবাদিক সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের সদস্যসহ মোট নয়টি সাংবাদিক সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। 



সোনারগাঁও দর্পণ :

আধিপত্য টিকিয়ে রাখার নেশায় আবারও বে-পরোয়া হয়ে উঠেছে সোনারগাঁওয়ের মাদক ও ডাকাতির গডফাদার রাসেল ও পিয়েল গ্রুপ। আবারও তারা মেতে উঠেছে রক্তের হলি খেলায়। তারই অংশ হিসাবে  

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের হাবিবপুর এলাকায় রাসেল বাহিনী পিয়েল গ্রুপের অপর সন্ত্রাসী মুনসুরকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে। 

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে হাবিবপুর এলাকার সফির বাড়ির সামনে মহসিনের চায়ের দোকানের সামনে এ হামলা ঘটে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, সোনারগাঁওয়ের এক সময়ের কুখ্যাত সন্ত্রাসী র‍্যাবের হাতে ক্রস ফায়ারে নিহত গিট্টু হৃদয়ের বোনের স্বামী ও হৃদয়ের মৃত্যুর পর তার অন্ধকার জগতের একচ্ছত্র আধিপত্য নিয়ন্ত্রণে নেওয়া বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী ও  ডাকাত দলের সর্দার এক ডজনের অধিক মামলার আসামি রাসেল বাহিনীর ১২–১৫ জনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে মুনসুরের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে গুরুতর জখম করে। এ সময় স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় মুনসুরকে প্রথমে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নেয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে জাতীয় পঙ্গু হাসপাতাল পাঠায় চিকিৎসক। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মুনসুরের অবস্থা শঙ্কাজনক।

এদিকে, আহত মুনসুরের পরিবারের দাবি, রাসেল বাহিনী পরিকল্পিতভাবে মুনসুরকে হত্যা করতেই হামলা করে।

ঘটনার পর হাবিবপুরসহ আশপাশের এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই দুটি গ্রুপের দ্বন্দ্বে কিছু দিন পরপর এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতা ও চাঁপা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। 

অপরদিকে, সন্ত্রাসী গ্রুপ দুটি নানা অপকর্ম করে প্রকাশ্য দিবালোকে নির্বিঘ্নে বীরদর্পে সকল দৈনন্দিন কাজ করায় সন্ত্রাস নির্মূলে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর স্বদিচ্ছা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। 

এ বিষয়ে সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত পরিদর্শক (তদন্ত) রাশেদ হাসান খান বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




সোনারগাঁও দর্পণ : 

ছিনতাইয়ের প্রতিবাদ করায় ৪ গ্রামবাসীকে কুপিয়ে রক্তাক্ত আহত করেছে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও  ছিনতাইকারীরা। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) বিকালে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়েনের কাফরদী তবল পাড়া এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। 

সন্ত্রাসীদের হামলায় আহতদের মধ্যে জাহাঙ্গীর, মহাসিন ও শাহজালালকে মূমূর্ষ অবস্থায় প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য জাহাঙ্গীর ও মহাসিনকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠিয়েছে চিকিৎসক। বাকিদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সোনারগাঁও থানার তালিকাভুক্ত চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী তবল পাড়া গ্রামের অপ্রতিরোধ্য (অপ্রতিরোধ্য-প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি করায় কোন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের কিছুই করতে পারেনা এবং পারবেওনা বলে ঘোষণা দিয়ে মাদক ব্যবসা করে। একাধিকবার থানা পুলিশ কয়েকজন মাদক কারবারীকে আটক করলে সস্ত্রাসী হামলা করে হেন্ড কাপসহ ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। এরপর থেকে প্রশাসন নিরব) মাদক ব্যবসায়ী আফজালের ছেলে শাওন তার সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে অটো চালক জাহাঙ্গীরের এক যাত্রীর কাছ থেকে দুপুর আনুমাবিক আড়াইটার দিকে টাকা ও মোবাইল নিয়ে যায়। জাহাঙ্গীর এর প্রতিবাদ করলে তাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত আহত করে। পরে তার ভাই মহাসিন বিষয়টি জানতে পেরে তার কয়েকজন গ্রামবাসীকে নিয়ে প্রতিবাদ করলে তাদেরকেও কুপিয়ে রক্তাক্ত আহত করে। পরে তাদের একই এলাকার আত্মীয় শুক্কুরের ছেলে শাজজালাল আফজাল গ্রুপের কাছে কুপিয়ে আহত করার কারণ জানতে চাইতে গেলে তাকেও ধাঁরালো ছুরির আঁঘাতে রক্তাক্ত আহত করে। 

এ বিষয়ে সোনারগাঁও থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) রাশেদুল হাসান খানের সাথে কথা হলে বলেন, আমি গতকাল বিশেষ কাজে থানার বাহিরে ছিলাম।তবে মারামারির ঘটনায় অভিযোগ হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। 




সোনারগাঁও দর্পণ : 

বিড়াল এক কবুতরের ছাঁনা (বাচ্চা) খেয়ে ফেলেছে। এনিয়ে দুই পরশির মধ্যে মারামারিতে একজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। মারা যাওয়া ব্যক্তির নাম নাসির উদ্দিন (৬৮)। তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের ভিটিকান্দী গ্রামের মৃত আমজাদ আলীর ছেলে।

ঘটনাটি গত রবিবার দুপুরে উপজেলার ভিটিকান্দী গ্রামে ঘটে। 

নিহতের ভাই আক্তার হোসেন জানায়, গত রবিবার তাদের কবুতরের বাচ্চা পাশের বাড়ির আসাদুল্লাহর বিড়াল খেয়ে ফেলে। এ নিয়ে বিচার দিতে যাওয়ায় তাদেরকে মারধর করে। এতে তার ভাই নাসির উদ্দীন গুরুতর আহত হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে সাইনবোর্ড এলাকার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে দুই দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। 

সোনারগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রাশেদুল হাসান খান জানান, মারামারি ঘটনায় দুইদিন আগে সোনারগাঁও থানায় একটি অভিযোগ করা হয়েছিল। এ ঘটনায় আহত নাসির চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে।  আসামীদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে।

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget