গত ৪ ডিসেম্বর সোনারগাঁওয়ের অন্যতম বহুল প্রকাশিত নিউজ পোর্টল "সোনারগাঁও দর্পণ" এ "সোনারগাঁওয়ে ফের রাসেল - পিয়েল গ্রুপ বে-পরোয়া, পিয়েল গ্রুপের মনসুরকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা" শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, সে সংবাদে রাসেলকে সন্ত্রাসী,মাদক ব্যবসায়ী ও ডাকাতের সর্দার আখ্যায়িত করার প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাসেল। গত শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে "সোনারগাঁও দর্পণ" এর মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করে (কল রেকর্ড সংরক্ষিত) তিনি এ প্রতিবাদ জানান।
সংবাদটিতে রাসেলের নামের সাথে যে সকল বিশেষন ব্যবহার করা হয়েছে তার কোনটার সাথেই তিনি জড়িত নন দাবি করে রাসেল জানান, পিয়েল যাদের সাথে মারামারি করেছেন, তারা আত্মীয়তার দিক দিয়ে মামাতো -ফুফাতে ভাই। তাদের সাথে তার কোন রকম সম্পৃক্ততা নাই। অথচ তাদের সাথে রাসেলকে জড়িয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।
এছাড়া গত কয়েক মাস আগে পিরোজপুর ইউনিয়নের পাঁচআনীতে মনির মেম্বারের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সেখানেও রাসেলকে গডফাদার হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে, যার সাথে রাসেলের কোন রকম সম্পৃক্ততা নেই বলে তিনি প্রতিবাদে দাবি করেন।
রাসেল জানান, মনির মেম্বারের প্রতিপক্ষের সাথে এ দ্বন্দ্ব দীর্ঘ দিনের। রাসেলের বয়স যখন কম, তেমন কিছুই বুঝেননা, তখন থেকেই তিনি শুনে আসছেন এবং বুঝ হওয়ার (প্রাপ্ত বয়স্ক) পর থেকেই তাদের (মনির মেম্বারের প্রতিপক্ষের সাথে) সাথে আধিপত্য নিয়ে ঝামেলা হচ্ছে বলে দাবি করেন।
এছাড়া মাদক বা ডাকাতের সর্দার আখ্যা দিয়ে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে তাও সত্য নয়। মনগড়া মিথ্যা তথ্য জুড়ে দেওয়া হয়েছে। গত ৮ বছর ধরে তিনি রাজধানীর মোতালেব প্লাজায় মোবাইলের ব্যবসা করেন। ১৬ বছর আগেও তিনি চৌরাস্তা এলাকায় মোবাইল ব্যবসা করতেন। মাদক ব্যবসা তার করার কথাতো অনেক পরের বিষয়, তিনি কখনো একটা সিগারেটেও টান দেননি। আর ডাকাতি (!), তিনি কখনো কাউকে একটা চর মেরেছেন বলে তার এলাকায় কেউ বলতে পারবে না বলে তিনি দাবি করেন।
প্রমাণ হিসাবে সোনারগাঁওয়ের একজন প্রতিষ্ঠিত মোবাইল ব্যবসায়ীর নাম উল্লেখ করেন যেন তার কাছ থেকে সত্যিটা (তার ভাষায়) জানা যায়।
প্রতিবেদকের বক্তব্য :
প্রথমত :
গত ৪ ডিসেম্বর সোনারগাঁওয়ের অন্যতম বহুল প্রকাশিত নিউজ পোর্টল "সোনারগাঁও দর্পণ" এ "
"সোনারগাঁওয়ে ফের রাসেল - পিয়েল গ্রুপ বে-পরোয়া, পিয়েল গ্রুপের মনসুরকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা" শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে সে সংবাদের অভিযুক্তদের সাথে প্রতিবেদকের কোন ব্যক্তিগত, পারিবারিক, গোষ্ঠীগত বা ব্যবসায়ী কোন সম্পর্ক নাই, ফলে মিথ্যা তথ্য দিয়ে মনগড়াভাবে সংবাদ প্রকাশ দাবি করা শুধু অযৌতিকই নয়, হাস্যকরও বটে।
দ্বিতীয়ত :
প্রকাশিত সংবাদের কোথাও একটি বারের জন্যও বলা হয়নি, রাসেল নিজে হামলা করেছে। সংবাদটিতে শুধু মাত্র তার নিয়ন্ত্রীত বাহিনীর সদস্যদের কথা বলা হয়েছে।
তৃতীয়ত :
প্রতিবেদক প্রতিবেদনটিতে কোন পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেননি। প্রতিবেদনে উভয় গ্রুপের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের কথাই বলা হয়েছে। এককভাবে কাউকে খারাপ বা ভালো বলে জাহির করা হয়নি।
চতুর্থত :
রাসেলের নামের সাথে যুক্ত হওয়া বিশেষণ তার দীর্ঘদিনের কর্মকাণ্ডের ফলশ্রুতিতে থানায় একাধিক হত্যা, মাদক, চাঁদাবাজী ও মারামারিসহ ডজন খানেক মামলার ফসল। যা এলাকাবাসী, থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে পাওয়া। প্রতিবেদনটিতে প্রতিবেদকের নিজস্ব কোন মতামত বা উক্তি প্রকাশ করা হয়নি।
এছাড়া, জীবনে কখনও সিগারেট পান করা বা কাউকে একটা চর না দেওয়ার বিষয়ে বলতে গেলে বলা যায়, দেশ-বিদেশের বিভিন্ন অপরাধের গডফাদারদের জীবনী অনুসন্ধান করলে জানা যায়, কোন গডফাদাররাই মানুষ ন্যুনতম খারাপ বলে বা মানুষের চোখে খারাপ কিছু পড়ে তারা প্রকাশ্যে তেমন কোন কাজ করেনা। অথচ অন্ধকার জগতটাই নিয়ন্ত্রণ করে তারা। হয়তো তার (রাসেল) ক্ষেত্রেও হয়তো তিনি তেমনটাই অনুসরণ করার চেষ্টা করেন।
(সোনারগাঁও দর্পণ)

Post a Comment