Halloween Costume ideas 2015
সর্বশেষ পোস্ট
২ অপরাধ অর্থ ও বাণিজ্য আওয়ামী লীগ আড়াইহাজার আদালত আন্তর্জাতিক উত্তরা পূর্ব থানা কাঁচপুর কুমিল্লা খেলাধুলা গজারিয়া গণমাধ্যম গাজীপুর চট্টগ্রাম জাতীয় জামপুর জামায়াত ঢাকা তথ্যপ্রযুক্তি থানা প্রশাসন দাউদকান্দি ধর্ম নরসিংদী নাটক নারায়ণগঞ্জ নির্বাচন নোয়াখালী নোয়াগাও পর্যটন ও পরিবেশ পিরোজপুর পৌরসভা প্রশাসন ফতুল্লা বন্দর বরগুনা বারদী বিএনপি বিনোদন বৈদ্যের বাজার ভারত ভুলতা মুন্সিগঞ্জ মোগরাপাড়া রাজনীতি রাজনীতি. রাজনীতি. বিএনপি রাজনীতি.মোগরাপাড়া রাজশাহী রূপগঞ্জ র‌্যাব র‌্যাব-11 শম্ভুপুরা শিক্ষা শিক্ষা ও সংস্কৃতি শিবির শিল্প ও সংস্কৃতি সন্মান্দি সংস্কৃতি সাদীপুর সাভার সারাদেশ সিদ্ধিরগঞ্জ সিভিল প্রশাসন সিলেট সেনা সোনারগাঁও স্বাস্থ্য কথা হাইওয়ে পুলিশ


সোনারগাঁও দর্পণ:

সোনারগাঁওয়ে প্রাইভেটকার চালক আবু হানিফকে হত্যার পর প্রাইভেটকার ছিনতাইয়ের ঘটনার তিন ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। গত রবিবার নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকা থেকে প্রথমে ছিনতাইকারী কামরুলকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকা থেকে অপর দুই ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তাদের নিয়ে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকার সাত রাস্তা ভূমি ও জরিপ অধিদপ্তরের পুরাতন ভবনে সচিবদের গাড়ী পার্কিং এর গ্যারেজ থেকে প্রাইভেটকার (ঢাকা-মেট্রো-প-২৫-৪৭৭১)টি উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। 


সোমবার বেলা ১২ টার দিকে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান, সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আব্দুল বারী। 


ওসি আরও জানান, ছিনতাইকারী কামরুল (২৩) বন্দর উপজেলার ধামঘর ইউনিয়নের নয়ামাটি এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে এবং ওমর হোসেন ওরফে বাবু গজারিয়া উপজেলার পুরাচক বাউশিয়ার মনির হোসেনের ছেলে। অপর আসামি মুজাহিদুল ইসলাম কাউছার বেগমগঞ্জ উপজেলার মধুপুর এলাকার গোলাম মোহাম্মদের ছেলে। 


তিনি বলেন, আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।



সোনারগাঁও দর্পণঃ  

বাংলাদেশ হেফাজত ইসলাম’র সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মামুনুল হক স্ত্রীসহ সোনারগাঁও রয়েল রিসোর্টে অবকাশ যাপনকালের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। সোনারগাঁও উপজেলার হামছাদি গ্রামের মৃত সালাহউদ্দিনের ছেলে মো. শাহজাহান শিবলী বাদী হয়ে আড়াইহাজার উপজেলার সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম বাবুকে প্রধান আসামী করে ১২৮ জনের নাম উল্লেখ করার পাশাপাশি ১শ থেকে দেড়শতাধিক ব্যক্তিকে অজ্ঞাত আসামী উল্লেখ করে সোমবার মামলাটি করেন। মামলায় নারায়ণগঞ্জ-২ ও ৩ আসনের এমপি, তৎকালীণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, থানার ওসি, একাধিক এসআই ও রাজনৈতিক নেতাকর্মী সহঅনেককে আসামী করা হয়।

এজাহারে শাহজাহান শিবলী অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ হেফাজত ইসলাম এর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মামুনুল হক বিগত ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল রাতে স্ত্রীসহ সোনারগাঁও থানাধীন খাসনগর দিঘীরপাড় সাকিনস্থ রয়েল রিসোর্ট হোটেলে অবকাশ যাপনকালে নারায়ণগঞ্জ-২ আসন (আড়াইহাজার) আসনের সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম বাবু এবং নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক এমপি আব্দুল্লাহ আল কায়সার হাসনাতের গোপন ষড়যন্ত্রে মামুনুল হককে হেনস্থা করার উদ্দেশ্যে এবং রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করার হীন মানসে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে ৩নং আসামী হইতে ১২নং আসামীর ((৩) মোহাম্মদ জায়েদুল আলম, (সাবেক পুলিশ সুপার), নারায়ণগঞ্জ, (৪) আতিকুল ইসলাম মুরাদ, এডিসি, ডিবি, (মতিঝিল জোন-২০২১) (৫) এস,এম, শফিকুল ইসলাম, বিপি-৮৫১০১৩৭৭৪৬, ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র), সোনারগাঁও থানা, (৬) মোঃ এনামুল কবির (সাবেক), পুলিশ ইন্সপেক্টর, ডিবি, নারায়ণগঞ্জ, (৭) হাফিজুর রহমান, ইন্সপেক্টর, সোনারগাঁও থানা, (৮) এমদাদ হোসেন তৈয়ব, পুলিশ ইন্সপেক্টর ধামগড় ফাড়ী, (৯) ফরিদ আহমেদ, এস.আই. তালতলা পুলিশ ফাঁড়ী, সোনারগাঁও থানা নারায়ণগঞ্জ, (১০) এস.আই ইয়াউর, ভিপি নং-৯০১৭১৯৯৯৩৭, (১১) এ.এস আই, এজাজুল হক, ভিপি নং-৮৫০৬০৮৬২৮৪, (১২) এইচ এম ইমন, এস আই (নিরস্ত্র), কলাবাগান থানা, (ডিএমপি ঢাকা ২০২১ সাল) নির্দেশে অন্যান্য সকল আসামীগন সহ আরো অজ্ঞাতনামা ১০০/১৫০ জন আসামীরা একত্রে জোটবদ্ধভাবে পরস্পর যোগসাজসে একে অপরের সহায়তায় জনাব মামুনুল হক সাহেবকে স্ত্রী সহ রিসোর্ট হতে জোরপূর্বক বাহির করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকে। এর ধারাবাহিকতায় রাত অনুমান সাড়ে ১১টার সময় সোনারগাঁও থানা এলাকার সাহাপুর গ্রামের মৃত আবু সাঈদ এর ছেলে হেফাজতকর্মী মাওলানা ইকবাল হোসেন (৬০)’কে সহ আরো অনেকে সোনারগাঁও থানাধীন মোগরাপাড়া চৌরাস্তা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবস্থান করিয়া একত্রিত হইয়া মাওলানা মামুনুল হক সাহেবকে স্ত্রী সহ ধরার বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ করায় নজরুল ইসলাম বাবু এবং আব্দুল্লাহ আল কায়সার হাসনাতের পরোক্ষ উস্কানীতে আসামী ৩ নং আসামী হইতে ১২নং আসামীদের হুকুমে অপরাপর উল্লেখিত আসামীগন সহ আরো ১০০/১৫০ জন আসামী একত্রে সেখানে উপস্থিত হইয়া মাওলানা ইকবাল হোসেনকে খুন করার উদ্দেশ্যে জোটবদ্ধ ভাবে এলোপাথারী ভাবে কিলঘুষি মারিয়া ও লোহার রড, লাঠি দিয়া মাথাসহ শরীরের অন্যান্য জায়গায় আঘাত করিয়া গুরুতর জখম করে। জখম অবস্থায় ইকবাল হোসেনকে পুলিশ গ্রেফতার করে সোনারগাঁও থানায় মামলা নং ০৬ (৪) ২০২১ ও মামলা নং ০৭ (৪) ২০২১ মামলায় কোর্টে চালান দেয়। 

উক্ত মামলায় মাওলানা ইকবাল হোসেনকে সোনারগাঁও থানা পুলিশ রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করার নামে নজরুল ইসলাম বাবু ও কায়সার হাসনাতের উস্কানীতে ৩নং হইতে ১২নং আসামীরা তাহাকে পুলিশ রিমান্ডে নিয়া ব্যাপক অত্যাচার নির্যাতন করে। পুলিশের নির্যাতনে মাওলানা ইকবাল হোসেন গুরুতর অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাহাকে পুলিশ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাওলানা ইকবাল হোসেনকে শহীদ সোহরাওয়াদী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২১ এপ্রিল ২০২১ সালে দুপুর টার দিকে মারা যায়। পুলিশ লাশের পোষ্টমর্টেম করে এবং পরিবারের নিকট লাশ হন্তান্তর করে। মৃতের আত্মীয় স্বজন লাশ বাড়িতে নিয়ে পারিবারিক ভাবে দাফন কাফন করে। উল্লেখিত আসামীরা পরস্পর যোগসাজসে উস্কানী ও হুকুমের মাধ্যমে খুন করার উদ্দেশ্যে মাওলানা ইকবাল হোসেনকে পরিকল্পিতভাবে মারপিট করিয়া ও নির্যাতন করিয়া হত্যা করিয়াছেন। ঘটনার পর মৃত মাওলানা ইকবাল হোসেন এর পরিবার মামলা করিতে সাহস পায় নাই। বর্তমানে পরিস্থিতি অনুকূলে থাকায় ও পূর্বের জালেম ও স্বৈরাচার সরকার বিদায় গ্রহণ করায় এবং মৃত মাওলানা ইকবাল হোসেন হেফাজত ইসলামের একজন কর্মী হওয়ায় কর্তৃপক্ষের সহিত আলোচনা করে মামলাটি করেন। 



সোনারগাঁও দর্পণ:

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবীতে আদিব (১০) নামের এক মাদ্রাসা ছাত্র অপহরণের ঘটনায় ৩ অপহরণকারীকে গ্রেফতার ও অপহৃত ছাত্রকে উদ্ধার করেছে সোনারগাঁ থানা পুলিশ। সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহঃ)’র মাজার এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে গত বৃহস্পতিবার অপহৃত ছাত্রকে উদ্ধার ও অপহরণের সাথে জড়িত ৩ জনকে বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার করা হয়।

জানা গেছে, উপজেলার নোয়াগাঁও ইউপির বিষ্ণাদী গ্রামের প্রবাসী শফিকুল ইসলামের ছেলে আদিব (১০) পাশর্^বর্তী বানেশ^রদী এলাকার বানেশ^রদী আরাফাত নগর মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে। গত মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মাদ্রাসা থেকে ছাত্র আদিবের মাকে ফোন করে বলা হয় তার ছেলে মাদ্রাসায় নেই। পরে ছাত্রের মা ও স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খুঁজতে থাকলে ঐ রাতে এবং পরদিন অপহরণকারীরা একাধীক মোবাইল থেকে অপহৃত ছাত্রের মা ও মামীর মোবাইলে ফোন করে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবী করে এবং মুক্তিপণ না দিলে অপহৃত ছাত্র আদিবকে হত্যা করার হুমকি দেয়। এই ঘটনায় অপহৃত ছাত্রের মা আরিফা বেগম সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে উন্নত প্রযুক্তি ও এনালগ পদ্ধতি ব্যবহার করে শাহেদ (১৯) নামের একজনকে জামপুর ইউপির বস্তল ও সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহঃ)’র মাজার এলাকার গ্রেট ওসমান আবাসিক হোটেল থেকে মাহফুজ ওরফে ফরহাদ মাষ্টার (৩১) ও রাইয়ান (১৮) নামের আরো দু’জনকে গ্রেফতার এবং অপহৃত মাদ্রাসা ছাত্র আদিবকে সেখান থেকে উদ্ধার করে সোনারগাঁ থানা পুলিশের একটি দল। সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ এম এ বারী জানান, মাদ্রাসা ছাত্র অপহরণের ঘটনায় সু-কৌশলে অভিযান চালিয়ে অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে অপহৃতকে উদ্ধার ও ৩ অপহরণকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত ফরহাদ মাষ্টার উপজেলার পরমেশ^রদী গ্রামের আঃ রশিদের ছেলে, শাহেদ বস্তল গ্রামের বাবুল মিয়া ও রাইয়ান দৌলরদী গ্রামের শহিদুল্লাহর ছেলে। অপহৃত ছাত্র আদিব জানায়, তার পিতাকে এয়ারপোর্ট থেকে আনার কথা বলে রাইয়ান ও অন্যরা তাকে গাড়িতে উঠিয়ে অন্যত্র নিয়ে আটক করে রাখে। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।


সোনারগাঁও দর্পণ :

অজ্ঞাত এক যুবকের মরদেহ (পুরুষ) উদ্ধার করেছে সোনারগাঁও নৌপুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার কিছু আগে উপজেলার মেন্দিভিটা এলাকার পাশে মেনীখালী নদীতে ভাসমান অবস্থা থেকে ওই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

এরআগে, সকাল ১০টার দিকে লাশটি নদীতে ভাসতে দেখে স্থানীয়রা সোনারগাঁও থানা পুলিশকে খবর দেয়। সোনারগাঁও থানা পুলিশ বিষয়টি নৌপুলিশকে অবহিত করলে বিকাল ৫টার দিকে নৌ পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে। 

সোনারগাঁও নৌ পুলিশের একটি সূত্র জানান, কিছুক্ষণ আগে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহটি ফুলে পচন ধরে গেছে। এখনো পরিচয় পাওয়া যায়নি। পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। 

এদিকে, সকালে লাশটি দেখে পুলিশকে জানানোর প্রায় ৭ ঘন্টা পর উদ্ধার কাজে আসায় স্থানীয়দের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। 



সোনারগাঁও দর্পণ :

সোনারগাঁও উপজেলা পূজা কমিটির সাথে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মতবিনিময় হয়েছে। উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন শ্রী গৌড় নিতাই মন্দিরে সোনারগাঁও জোনের দায়িত্বে থাকা মেজর জুবায়ের (পিএসসি)’র সভাপতিত্বে এবং উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সদস্য ও সনাতন ধর্মের নানা শ্রেণিপেশার মানুষের উপস্থিতিতে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। 

সভায় সনাতন ধর্মের নেতারা পূজা উদযাপনে বেশ কিছু সমস্যা তুলে ধরেন এবং সেগুলো সমাধানে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। 

সমস্যাগুলো শুনে মেজর জুবায়ের আসন্ন দুর্গাপূজা নিরবিচ্ছন্ন নিরাপত্তায় উৎসব মুখর পরিবেশে পালন করতেই সভার আয়োজন জানিয়ে তাদের সমস্যাগুলো সমাধানে সেনাবাহিনী আন্তরিকভাবে কাজ করবে বলে আশ^স্ত করেন।

সমস্যাগুলোর মধ্যে পূজায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করা, পূজা চলাকালীন সময় মন্ডপের আশেপাশে উচ্চস্বরে কোন গান-বাঁজনা না করা, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, সিসি ক্যামেরা বসিয়ে মনিটরিং করা, পূজা চলাকালিন সময় দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর টহল বৃদ্ধি, পানাম সিটিতে অবস্থিত মন্দিরটিকে ঘিরে সনাতন ধর্মের ব্যক্তিদের সাথে প্রতœতত্ব বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে বিদ্যমান সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা, মাদকের ব্যবহার বন্ধ করা, রাত ১০টার মধ্যে পূজা কার্যক্রম শেষ করা, যে কোন সমস্যার সৃষ্টি হলে সেনাবাহিনী তাৎক্ষণিত সে সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসা এবং শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উৎসব কার্যক্রম পরিচালনা করতে একটি স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করার চেষ্টা করা হবে বলে আশ^স্ত করেন। 



সোনারগাঁও দর্পণ :

ঢাকাসহ সারাদেশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। অন্তর্বতীকালীণ সরকার সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এ ক্ষমতা প্রদান করেন। 

মঙ্গলবার  রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয় প্রজ্ঞাপন জারির দিন থেকে আগামী ৬০ দিন (২ মাস)’র জন্যে এ সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে। 

বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নানান আলোচনার মধ্যেই সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে নানা আলোচনার পরই সেনাবাহিনীকে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এর ক্ষমতা দেয় সরকার।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়,  ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা অর্পণ করার কথা। সেখানে সংবিধানের ফৌজধারী কার্যবিধির ১৮৯৮ এর ধারা ৬৪, ৬৫,৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধানায় যে সকল অপরাধ সংগঠিত হয় সেগুলো আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সেনাবাহিনীকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবি সমিতির সদস্য খন্দকার মাজেদুল ইসলাম সম্রাট সোনারগাঁও দর্পণ’কে বলেন, প্রজ্ঞাপনে ফৌজদারি কার্যবিধির যে ধারাগুলো পৃথকভাবে বলতে গেলে বিস্তারিত আলোচনার বিষয়। তবে সংক্ষিপ্তভাবে বলা যায়, কিভাবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়, সাক্ষীদের তলব করা, গ্রেফতার প্রক্রিয়া, অপরাধ দমনে পুলিশ ও আদালতের ভূমিকা, সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করা, প্রয়োজনে সম্পত্তি ক্রোক করা। এক কথায় জনগণের জীবনযাপনে অশান্তি বিরাজ করে এমন সব অপরাধের বিষয়ে বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করে জনগণের মাঝে শান্তি প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে কাজ করা। ফৌজদারি কার্যবিধির মাধ্যমে মামলাগুলোতে জড়িত সকল পক্ষের ভূমিকা নির্ধারিত হয়। এক্ষেত্রে একজন ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারক মামলার সব প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এই প্রক্রিয়া অনুসরণ না করলে মামলার সুষ্ঠু বিচার সম্ভব না। 



সোনারগাঁও দর্পণঃ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার কাঁচপুরে এক যুবককে গুলি করে পঙ্গু করার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে মামলা হয়েছে। সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে সোনারগাঁও থানায় এই মামলা করা হয়। মামলায় শেখ হাসিনা ছাড়াও ১৭৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।

আসামিদের মধ্যে অন্যরা হলেন- চলচ্চিত্র অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস, নাট্য অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাসান মাহমুদ, শেখ রেহানা, সজিব ওয়াজেদ জয়, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ, সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম বাবু, স্থানীয় সাংবাদিক নুরুনবী জনি ও হাবিবুর রহমান হাবিব।


এ ছাড়া এ মামলায় নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও ও রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদেরও নাম রয়েছে। সোনারগাঁও থানার ওসি এম এ আব্দুল বারী মামলা হওয়ার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 


মামলার বাদী সোনারগাঁ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের লাদুরচর গ্রামের রুহুল আমিন এজাহারে উল্লেখ করেন, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে গত ২০ জুলাই সোনারগাঁওয়ের কাঁচপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে চলাকালে বাদীকে গুলি করে মারাত্মকভাবে আহত করে। তিনি বর্তমানে পঙ্গুত্ব বরণ করে আছেন।

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget