Halloween Costume ideas 2015
July 2025
অপরাধ অর্থ ও বাণিজ্য আওয়ামী লীগ আদালত আন্তর্জাতিক উত্তরা পূর্ব থানা কাঁচপুর খেলাধুলা গজারিয়া গণমাধ্যম গাজীপুর চট্টগ্রাম জাতীয় জামপুর জামায়াত ঢাকা তথ্যপ্রযুক্তি থানা প্রশাসন দাউদকান্দি ধর্ম নরসিংদী নারায়ণগঞ্জ নোয়াখালী নোয়াগাও পর্যটন ও পরিবেশ পিরোজপুর পৌরসভা ফতুল্লা বন্দর বরগুনা বারদী বিএনপি বিনোদন বৈদ্যের বাজার ভারত ভুলতা মুন্সিগঞ্জ মোগরাপাড়া রাজনীতি রাজনীতি. রাজনীতি. বিএনপি রাজনীতি.মোগরাপাড়া রাজশাহী রূপগঞ্জ র‌্যাব র‌্যাব-11 শম্ভুপুরা শিক্ষা শিক্ষা ও সংস্কৃতি সন্মান্দি সংস্কৃতি সাদীপুর সাভার সারাদেশ সিদ্ধিরগঞ্জ সিভিল প্রশাসন সিলেট সোনারগাঁও স্বাস্থ্য কথা


সোনারগাঁও দর্পণ :

একচ্ছত্র মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব বিস্তার নিয়ে প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসী বাহিনীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত সন্ত্রাসী

আকাশ মারা গেছে। গত ২৭ জুলাই রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। 

এর আগে, সাকিব গ্রুপের প্রধান সাকিব ও তার সহযোগিরা গত ২৩ জুলাই নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার মৌগরাপাড়া ইউনিয়নের হাবিবপুর এলাকা সংলগ্ন পৌরসভার আজাম বাড়ি (চিরার মিল) এলাকায় আকাশদের ঘরে প্রবেশ করে ধাঁরালো অস্ত্র দিয়ে আকাশকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে আহত করে সাকিব বাহিনী।। 

স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত আকাশ আজাম বাড়ি এলাকার চাঁন মিয়ার ছেলে এবং মোগরাপাড়া এলাকা ও এর আশপাশের এলাকা এবং ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের চিন্হিত পরিবহন ডাকাত, মাদক ব্যবসায়ী পিয়েল গ্রুপের অন্যতম সদস্য। 

সূত্র আরও জানায়, সন্ত্রাসী পিয়েল ও অপর সন্ত্রাসী সাকিব আত্মীয়তার সম্পর্কে আপন মামাতো-ফুপাতো ভাই। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকা কালীণ সাকিব সোনারগাঁওয়ের শাহজাহান হত্যা মামলার প্রধান আসামী, মাদক সম্রাট ও র্যাবের হাতে ক্রস ফায়ারে নিহত উপজেলার এক সময়ের মাদক সম্রাট ও সন্ত্রাসী গিট্টু হ্রদয়ের বোনের স্বামী পিরোজপুর ইউনিয়নের ছোট কোরবানপুর গ্রামের রাসেল বাহিনীর হয়ে কাজ করতো। সে সময় সাকিব ও পিয়েল গ্রুপের অত্যাচারে স্থানীয়রা এতোটাই অতিষ্ট হয়ে উঠেছিল যে, তাদের নাম ক্রস ফায়ারের তালিকায় ওঠে। পরে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক কারণে ক্রস ফায়ার শিথিল হলেও সাকিবের পরিবার তাকে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেয়। এদিকে, জুলাই-আগষ্টের ঘটনায় শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করার পর সম্প্রতি সাকিব দেশে আসে এবং রাসেল গ্রুপের সাথে আগের মতো মাদকসহ বিভিন্ন খারাপ কাজ শুরু করে। 

এদিকে, সাকিব দেশের বাইরে থাকায় মোগরাপাড়া ইউনিয়নের সিংহভাগ মাদকের নিয়ন্ত্রণ চলে আসে পিয়েল গ্রুপের কাছে। ফলে 

পিয়েল বাহিনীর কারণে সাকিব ও রাসেল গ্রুপ তেমন সুবিধা করতে পারাযছিলনা। তাই গত ১২ জুলাই  পিয়েল গ্রুপের সদস্য লিজনের পা কেটে এলাকায় আতঙ্ক তৈরি করে রাসেল। 


আর গত ২৩ জুলাই পৌরসভার আজাম বাড়ি (চিরার মিল) এলাকায় পিয়েল গ্রুপের অন্যতম সদস্য আকাশদের ঘরে প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আকাশকে এলোপাথারী কুপিয়ে মারাত্মক রক্তাক্ত আহত করে সাকিব ও তার সহযোগিরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তার পরিবারের লোকজন আকাশকে হাসপাতালে নিলে চার দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে গত ২৩ জুলাই রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আকাশ মারা যায়। 

এর গত মাসখানেক আগে, সাকিব মনসুর নামে হাবিবপুর এলাকার এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে। 

এদিকে, আকাশে মারা যাওয়ার খবরে সাকিব ও তার বাহিনীর সদস্যরা আকাশের বাড়ি যায় এবং এ বিষয়ে কোন মামলা করলে চৌরাস্তা এলাকায় ব্যবসা করা আকাশের অপর দুই ভাইকেও মেরে ফেলবে বলে হুমকি দেয় সাকিব। 

অপরদিকে, দুই সপ্তাহের মধ্যে পরপর দুইটি ঘটনায় থানায় কোন অভিযোগ না হওয়ায় এবং পুলিশ ফৌজধারী কার্যবিধির ১৫৪ ধারা প্রয়োগ না করায় সোনারগাঁও থানা পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যদিও সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা রাশেদুল হাসান খাঁন সম্প্রীতি বলেছেন, গত ১২ জুলাইয়ে লিজনের পা বিচ্ছিন্নে ঘটনাটি লোক মুখে শুনেছেন এবং ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করার জন্য থানায় যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভুক্তভোগীরা না আসায় তারা এ ব্যাপারে কিছু করতে পারেননি। তবে, ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে কেউ অভিযোগ করতে থানায় গেলে মামলা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। 


সোনারগাঁও দর্পণ :

স্বামী রায়হান স্ত্রী শোভাকে খুন করেছে। শোভার পরিবারের পক্ষ থেকে এমনটাই অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি বুধবার (৩০ জুলাই) নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের সোনাখালী গ্রামের আলাউদ্দিনের বাড়িতে ঘটেছে।

অভিযুক্ত রায়হান একই উপজেলার সনমান্দী ইউনিয়নের মুশুরেরকান্দী গ্রামের উজ্জল মিয়ার ছেলে। আর নিহত শোভা সোনাখালী গ্রামের আলাউদ্দিনের মেয়ে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, মোগরাপাড়া ইউনিয়নের সোনাখালী গ্রামের আলাউদ্দিনের মেয়ের সাথে পারিবারিকভাবে চার বছর আগে সনমান্দী ইউনিয়নের মুশুরেরকান্দী গ্রামের উজ্জল মিয়ার ছেলে রায়হানের বিয়ে হয়। 

বিয়ের পর থেকে পেশাগতভাবে রায়হান বেকার থাকায় মেয়ে তার বাবার বাড়িতে স্বামীকে নিয়ে বসবাস করতো। মাঝে মধ্যে রায়হান তার নিজ গ্রামের বাড়িতে যাতায়াত করতো। স্বামী বেকার হওয়ায় সাংসারিক কলহ প্রায় লেগেই থাকতো। এরই মধ্যে দেড় বছর আগে তাদের সংসারে শোয়াইব নামে একটি সন্তানের জন্ম হয়। 

স্থানীয়রা জানায়, পারিবারিক কলহে গত মঙ্গলবার ২৯ জুলাই রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। 

বুধবার (৩০ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে ঘুম থেকে উঠতে দেড়ি হওয়ায় শোভার মা মানসুরা আক্তার শোভাকে ডাকতে তার ঘরে যায়। এ সময় দরজা খোলা দেখে ভিতরে প্রবেশ করেই মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায়। সে সময় রায়হান ঘরে ছিলনা। 

পরে পুলিশকে ফোনে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শোভার মরদেহ উদ্ধার করে। 

শোভার পরিবারের দাবি, পারিবারিক কলহের জেরে রাতে কোন এক সময় রায়হান বাঁলিশ চাঁপা দিয়ে বা অন্য কোনভাবে শ্বাস রোধ করে হত্যার পর রায়হান পালিয়ে য়ায়। 


সোনারগাঁও দর্পণ :

প্রকাশ্যে এক সন্ত্রাসী কেটে দিল আরেক সন্ত্রাসীর "পা"। ঘটনাটি গত ১২ জুলাই রাত আটটার দিকে সোনারগাঁও উপজেলার সবচেয়ে ব্যস্ততম এলাকা মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় ঘটানো হলেও স্থানীয় গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমও অজ্ঞাত কারণে চুপ রয়েছে। ফলে, প্রতিবেদককে অনেকটা কটাক্ষ করেই বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) সোনারগাঁও দর্পণ এর এক পাঠক বলছিলেন, ভাই সবাইরে কি রাসেল বায়েস্ট করে নিলো। 

প্রতিবেদক সঙ্গত কারণে কিছুদিন এলাকায় ছিলেন না, তাই তার কথার মর্ম বুঝতে না পারায় কথা হয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই পাঠকের সাথে। জানানো হয় গত ১২ জুলাই থেকে সোনারগাঁওয়ে স্ব-শরীরে না থাকার কথা। 

পরে তার ( পাঠক ) সাথে আলাপ করে জানাগেছে, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ আর প্রভাব বিস্তার দ্বন্দ্বে পরিবহন ডাকাত ও চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী পিয়েল গ্রুপের অন্যতম সদস্য লিজনের 'পা' কেটে নিয়েছে র্যাবের হাতে ক্রস ফায়ারে নিহত সোনারগাঁওয়ের এক সময়ের শীর্ষ সন্ত্রাসী, মাদক সম্রাট ও চাঁদাবাজ হ্নদয় ওরফে গিট্টু হ্নদয়ের বোনের স্বামী অপর চিহ্নত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ও নৌ ডাকাত রাসেল।

ওই পাঠক জানান, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার চৌরাস্তায় জালাল টাওয়ার এর পিছনে গত ১২, জুলাই রাত আনুমানিক আটটার দিকে রাসেল নিজে ধারালো অস্ত্র দিয়ে লিজেন এর পা কেটে দেয়। এর আগে, মাদকের টাকা পয়সা নিয়ে তাদের দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায় মাদক সম্রাট রাসেল এ ঘটনা ঘটায়। 

তিনি জানান, এ সময় রাসেলের মুখ ঢাকা ছিল। রাসেল পিরোজপুর ইউনিয়নের ছোট কোরবানপুর গ্রামের মৃত সাফায়াত উল্লার ছেলে।

অপর সন্ত্রাসী আহত লিজন একই ইউনিয়নের আষাঢ়িয়ার চর গ্রামের সিএনজি চালক দ্বীন ইসলামের ছেলে। 

এদিকে অপর একটি সূত্র জানায়, রাসেল ছিল ক্রসফায়ারে নিহত গিট্টু হৃদয়ের সেকেন্ড ইন কমান্ড। গিট্টু হৃদয় ক্রস ফায়ারে নিহত হওয়ার পর থেকে গিট্টু হৃদয়ের পুরো মাদক ও অপরাধ জগত নিয়ন্ত্রণ নেয় রাসেল। এর পর থেকে তাকে আর পিছনে তাকাতে হয়নি। রাসেল নাম লিখিয়েছে কোটিপতির খাতায়। ধীরে ধীরে রাসেল এতোটাই বেপরোয়া হয়ে উঠে যে, যদি কেউ তার মাদক ব্যবসায় অন্তরায় হয়ে দাড়িয়েছে, তাকেই পৃথিবী থেকে সরাতো রাসেল। 

এরই ধারাবাহিকতায়, সোনারগাঁও উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের দুধঘাটা গ্রামের শাহজাহানকে পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে মাদক ব্যবসায়ী রাসেল, কমল হক, ইমরান, বিজয়, সাকিবসহ ৮/১০জন মিলে কুপিয়ে পায়ের ও হাঁতের রগ কেটে হত্যা করে। ওই রাসেল পুলিশের চোখে পলাতক থাকলেও তার প্রতিদিনের মাদক বিক্রি,  চাঁদাবাজি আর জমি জবর দখল করার কাজ চলছে আগের মতোই। 

এ বিষয়ে সোনারগাঁও থানার ওসি তদন্ত রাশেদুল ইসলাম খান বলেন, মৌখিকভাবে এমন একটা ঘটনার কথা শুনেছিলাম। ভিকটিম প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে থানায় অভিযোগ করার কথা ছিল কিন্তু পরে আর আসেনি।


সোনারগাঁও দর্পণ :

নবগঠিত  সোনারগাঁও কলেজ শাখা ছাত্রদল কমিটির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল করা হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন। অপরদিকে, সোনারগাঁও সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদল ও উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি শাহ আলম মুকুল বলেছেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল কোনভাবেই সরাসরি উপজেলা পর্যায় একটি কলেজ ছাত্রদলের কমিটি অনুমোদন দিতে পারেনা। যদি সোনারগাঁও সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের কমিটি কেন্দ্রীয় কমিটি দিয়ে থাকে তাহলে তা সাংগঠনিক নিয়মে হয়নি।

গত বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির স্বাক্ষরিত ছাত্রদলের প্যাডে মো. আমিনুল ইসলামকে সভাপতি ও মাহমুদা আক্তারকে সাধারণ সম্পাদক করে ৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি আংশিক কমিটির অনুমোদন দেয়া হয় এবং ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়।

নব অনুমোদিত কমিটির বিষয়ে এক প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন সোনারগাঁও দর্পণ’কে বলেন, এই কমিটি আমরা মানিনা। কাল সোনারগাঁও সরকারি কলেজের বড় একটি অংশ এই কমিটির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হবে। 

অপরদিকে, প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শাহ আলম মুকুল বলেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল কোনভাবেই সরাসরি উপজেলা লেভেলে একটি কলেজ ছাত্রদলের কমিটি দিতে পারে না। এই কমিটি জেলা ছাত্রদল দেওয়ার এখতিয়ার রাখে। 



সোনারগাঁও দর্পণ :

দীর্ঘ ২৭ বছর পর সোনারগাঁও সরকারি কলেজ ছাত্রদলের কমিটি হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) রাতে  ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাকিবুল হাসান রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির নতুন এ কমিটির অনুমোদন করেন।

কমিটিতে মো. আমিনুল ইসলামকে সভাপতি ও মাহমুদা আক্তারকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। এছাড়াও আবু ইসলামকে সিনিয়র সহ-সভাপতি ও মাহমুদা আক্তার মিতুকে সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করে ৪ সদস্যের এ কমিটিকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, ১৯৯৮ সালে শাহ আলম মুকুলকে সভাপতি এবং জহিরকে সাধারণ সম্পাদক করে সোনারগাঁও ডিগ্রী কলেজ শাখা ছাত্রদলের একটি কমিটি করা হয়েছিল। কিন্তু তৎকালীন ডিগ্রী কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহফুজুর রহমান কালাম ও সাধারণ সম্পাদক মামুন কবিরের নেতৃত্বাধীন ছাত্রলীগের তোপের মুখে ওই কমিটি দাড়াতে পারেনি। তারপর থেকেই মুলত সোনারগাঁও ডিগ্রী কলেজ (বর্তমান সোনারগাঁও সরকারী কলেজ) শাখায় দীর্ঘ ২৭ বছর ছাত্রদলের কোন কমিটি হয়নি।



সোনারগাঁও দর্পণ : 

আলৌকিক কারিশমায় বিচার শালিসে বসে ধর্ষণের ঘটনা হয়ে গেল সাধারণ মারামারি। তাও সেই বিচারে অভিযুক্তের কাছ থেকে আদায় করা হয়েছে নগদ এক লাখ বিশ হাজার টাকা। আর এই কারিশমার মুল হোতা সোনারগাঁও উপজেলার জামপুর ইউপির কথিত (সুবিধাবাদী ) বিএনপি নেতা আব্দুস সাত্তার।

স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, গত ২০ জুন উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের হাতুরাপাড়া এলাকায় অষ্টম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্রীকে স্থানীয় এলাকার তিন লম্পট মৃত আলমাছের ছেলে ফয়েজ ভূইয়া (৩৮) এবং একই এলাকার সহোদর লাল চাঁদ (৪২) ও আব্দুল্লাহ (৪১) অভিযোগকারীর মেয়েকে স্কুল থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে পথরোধ করে জোর করে স্থানীয় অপর বিএনপি নেতা গোলজারের বাড়ির পাশে থাকা একটি বাউন্ডারী বাড়ির ভিতর নিয়ে একাধিকবার পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে তার নির্যাতিতা মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনাটি কাউকে না জানাতে বলে এবং বললে ভুক্তভোগীর গলা কেটে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। 

ধর্ষিতা ওই ছাত্রী পরে বাড়ি গিয়ে কাউকে কিছু না জানিয়ে মলিন দৃষ্টিতে দৈনন্দিন কাজ করে। এ দিকে মেয়ের মলিন চেহারার বিষয়টি নির্যাতিতার মায়ের দৃষ্টিগোচর হলে মেয়ের কাছে কারণ জানতে চায়। এক পর্যায় মায়ের চাঁপাচাঁপিতে তার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা জানায়। 

এদিকে ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা না করার জন্য স্থানীয় কথিত বিএনপি নেতা মিন্টু, মোস্তফা, আঃ সাত্তার, আলী আক্কাস ও  অন্যান্য মাতব্বর মিলে ভুক্তভোগী পরিবারকে ভয়-ভীতি দেখায়। 

অপরদিকে গত সোমবার (৭জুলাই) নির্যাতনের শিকার ওই ছাত্রীর মা ঘটনার সাথে জড়িত তিন লম্পটকে অভিযুক্ত করে থানায় লিখিত অভিযোগ করলে বুধবার (৯ জুলাই) সকালে কথিত বিএনপি নেতারা জোরপূর্বক সামাজিকভাবে শালিস বসিয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় বিষয়টি মিমাংসা করে। 

শালিসের অন্যতম বিচারক ও স্থানীয় কথিত বিএনপি নেতা আঃ সাত্তারের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি কথাকাটা নিয়ে ঝগড়ার বিচার শালিস করার কথা স্বীকার করেছেন। 

কথাকাটা ও ঝগড়া কি নিয়ে হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কি নিয়ে ঝগড়া হয়েছে সেইটা আমার জানা বিষয় না। ঝগড়ার কারণ না জেনে কিভাবে বিচার করলেন, এমন প্রশ্নের তিনি কিছুক্ষন নিরব থেকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।

এ বিষয়ে সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) রাশেদুল ইসলাম খান জানান, ঘটনাটি গত মাসের। থানায় জানিয়েছে দুই দিন আগে। আজ ঘটনাস্থলে সার্কেল এস পি এবং ওসি সাহেব গিয়েছেন। বর্তমানে আইনানুগ কার্যক্রম চলমান।


সোনারগাঁও দর্পণ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। সোমবার (৭ জুলাই) রাত ৮ টার দিকে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে আমেনা সুপার মার্কেট থেকে পিরোজপুর ইউনিয়নের কান্দারগাঁও গ্রামের আলোচিত পারভেজ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

তিনি ওই মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী বলে পুলিশ জানিয়েছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে দুটি বিস্ফোরক মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানায়। 

এর আগে, গেল বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি দুপুরে সোনারগাঁও উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের পশ্চিম কান্দারগাঁও গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন ওরফে পলিথিন জাকির ও জসিম গ্রপের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র টেঁটা, রামদা ও লাঠি নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। 

এসময় উভয় পক্ষের ১১ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে আব্দুল মোতালেবের ছেলে পারভেজ হোসেনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। 

ওই ঘটনায় গত ২০ ফেব্রুয়ারি নিহতের ছোট ভাই হৃদয় মিয়া বাদী হয়ে  ৪৯ জনের নাম উল্লেখ্যসহ ৬১ জনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে দুপুরে সোনারগাঁও থানার কর্তব্যরত কর্মকর্তার মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আলমগীর কবির নামে আসামীকে সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget