Halloween Costume ideas 2015

সোনারগাঁও দর্পণ

সর্বশেষ পোস্ট
অপরাধ অর্থ ও বাণিজ্য আওয়ামী লীগ আড়াইহাজার আদালত আন্তর্জাতিক উত্তরা পূর্ব থানা কাঁচপুর কুমিল্লা খেলাধুলা গজারিয়া গণমাধ্যম গাজীপুর চট্টগ্রাম জাতীয় জামপুর জামায়াত ঢাকা তথ্যপ্রযুক্তি থানা প্রশাসন দাউদকান্দি ধর্ম নরসিংদী নারায়ণগঞ্জ নোয়াখালী নোয়াগাও পর্যটন ও পরিবেশ পিরোজপুর পৌরসভা প্রশাসন ফতুল্লা বন্দর বরগুনা বারদী বিএনপি বিনোদন বৈদ্যের বাজার ভারত ভুলতা মুন্সিগঞ্জ মোগরাপাড়া রাজনীতি রাজনীতি. রাজনীতি. বিএনপি রাজনীতি.মোগরাপাড়া রাজশাহী রূপগঞ্জ র‌্যাব র‌্যাব-11 শম্ভুপুরা শিক্ষা শিক্ষা ও সংস্কৃতি শিবির সন্মান্দি সংস্কৃতি সাদীপুর সাভার সারাদেশ সিদ্ধিরগঞ্জ সিভিল প্রশাসন সিলেট সেনা সোনারগাঁও স্বাস্থ্য কথা হাইওয়ে পুলিশ


সোনারগাঁও দর্পণ
:

মোবাইল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আনিরা এন্টারপ্রাইজের কারখানা চত্ত্বরে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন আসন্ন মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফ উদ্দিন। শুক্রবার (৫ জুন) বাদ জুম্মা নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের ৫৬টি গ্রামের কমপক্ষে সহস্রাধিক ভোটার সতস্ফুর্তভাবে অংশ নেন এই ঈদ পুণর্মিলনীতে।

দলে দলে ভেটারদের আগমনে চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফ উদ্দিন নিজে তাদের স্বাগত জানান। পরে মধ্যান্যভোজে অংশ নেন অতিথিরা।


এদিকে, মধ্যান্যভোজ চলাকালীন অতিথিদের উদ্দেশ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা উন্নয়ন বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন  আগত অতিথিরা। পরে বিভিন্ন ভোটারদের প্রশ্নের জবাব দেন মোগরাপাড়া ইউনিয়েনের চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফ উদ্দিন। বলেন, নির্বাচনের আগে যেভাবে ইউনিয়নবাসীর সুখে-দুঃখে  পাশে ছিলেন, আছেন, নির্বাচনের পরেও যেন একইভাবে থাকতে পারেন সে দোয়া চান।

প্রত্যাশা করেন উপস্থিত সকলে নিজ নিজ পরিবারের নারী-পুরুষ সদস্যদের যেন উদ্ভুদ্ব করেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিসাবে আশরাফ উদ্দিনকে নির্বাচিত করতে সহায়তার হাতকে প্রসারিত করার।


সোনারগাঁও দর্পণ :

সোনারগাঁওয়ে এভারগ্রিন মাদকাশক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে ভর্তি থাকা রোগিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে পূণর্বাসন কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হাড়িয়া চৌধুরীপাড়া এলাকায় অবস্থিত এভারগ্রিন মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম ফয়জল (৫৫)। তিনি উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের পশ্চিম বেহাকৈর এলাকার মৃত ফোছন মিয়ার ছেলে।

ফয়জলের মৃত্যুর পর একাধিক ভুক্তভোগী ও স্বজনরা সেখানে অমানবিক নির্যাতন, অব্যবস্থাপনা এবং চিকিৎসা সেবার নামে অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ তোলেন।

ওই পূণর্বাসন কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ছিলেন এমন একজন ভুক্তভোগী জানান, এভারগ্রীন মাদকাশক্তি পূণর্বাসন কেন্দ্রটিতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা নেই বললেই চলে। রোগীদের বিভিন্ন সময় শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হতো। তার ভাষ্যমতে, কেন্দ্র থেকে রোগি পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অনেককে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা হতো এবং এ নিয়ে প্রায়ই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো।

ওই যুবক জানায়, পূণর্বাসন কেন্দ্রের পরিচালক ইসমাঈল মেম্বার এর ছেলে রকি ও তার শালা, উজ্জ্বল, মনির, হালিম এবং সজিব পালাক্রমে পেটাতো। ফয়জুলের সাথে একই দিন তাদের কয়েকজনকেও বেধরক পিটানো হয়। কিন্তু ফয়জুলকে অজ্ঞাত কারণে পেটাতে পেটাতে তাদের চোখের সামনেই মেরে ফেলা হয়েছে।

ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও কেন্দ্রটির পরিচালক সজীব বা সংশ্লিষ্ট কাউকে সেখানে পাওয়া যায়নি। 

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এবং নিহতের স্বজনরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। 



সোনারগাঁও দর্পণ :

স্ট্রোকে আক্রান্ত পিতার হার্টএ্যাটাকে মৃত্যুর সংবাদ ছেলেকে দিতে গিয়ে ওই ছেলের ঝুলন্ত অর্ধগলিত মরদেহের সন্ধান পেয়েছে এলাকাবাসী। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের দমদমা গ্রামে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাত সাড়ে আটটার দিকে ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায় তার বোনের স্বামী।   

হার্টএ্যাটাকে মৃত্যু হওয়া ব্যক্তির নাম শাহজাহান (৬০)। তিনি পেশায় একজন সিএনজি চালক ছিলেন। অপরদিকে, আত্মহননকারী ছেলের নাম উজ্জল (৩৬), তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রী হলেও মাদকাগ্রস্থ ছিল বলে এলাকাবাসীর দাবি। 


স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, শাহজাহান দমদমা গ্রামের দমদমা ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় অনেক বছর আগে থেকেই বাড়ি নির্মাণ করে স্ত্রী, মেয়ে ও দুই ছেলে নিয়ে বসবাস করতেন। তিনি বেশ কিছুদিন আগে স্ট্রোক হওয়ার কারণে অনেকটা অচল ব্যক্তির মতোই একটি ভাঙ্গা ঘরে দিনযাপন করতেন। সংসারে ছেলে-মেয়ে থাকলেও কয়েক বছর আগে মেয়ে পূণরায় বিয়ে করে শশুর বাড়িতে থাকে। স্বামীর সাথে ঝগড়া করে মেয়ের বাড়িতে থাকেন শাহজাহানের স্ত্রী। অপর এক ছেলে জসিম সৌদি প্রবাসী। উজ্জল এক সময় প্রবাস জীবন কাটালেও কয়েক বছর ধরে স্ত্রীকে তালাক দিয়ে একাই বসবাস করতেন।

এলাকাবাসী জানায়, ছেলে ও বাবা একই বাড়িতে বসবাস করলেও ছেলে-বাবা’র সাথে বনিবনা না হওয়ায় ছেলের ঘরের পাশে ছোট একটি জীর্নশীর্ণ ঘরে বসবাস করতেন শাহজাহান। বৃহস্পতিবার মাগরিবের পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে শাহজাহানকে তার মেয়ের স্বামী জামাল হোসেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শাহজাহানকে মৃত ঘোষণা করেন। জানান, হার্টএ্যাটাকে কিছুক্ষণ আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে, জামাল তার শশুরের লাশ হাসপাতাল থেকে বাড়ি নিয়ে রাস্তার পাশে রেখে প্রবল ক্ষোভ নিয়ে ছেলেকে ডাকতে রাস্তার পাশে থাকা ঘরের দরজা ধাক্কাতে থাকে। অনেকক্ষণ ডাকাডাকির পর কোন সাড়া না পেয়ে  জানালার একটি অংশ খুলতেই ভেতর থেকে পচাঁ দুর্গন্ধ বের হয়। পরে জানালার পর্দা সারাতেই উজ্জলের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয় জামাল।

জামাল জানায়, তার শশুর মারা গিয়েছে আর শ্যালক নেশায় বুধ হয়ে ঘরে দরজার কপাট লাগিয়ে ঘুমিয়ে রয়েছে মনে করে অনেক ক্ষোভ নিয়ে উজ্জলকে ডাকাডাকি করি। পরে জানালার একটি অংশ খুলতেই পচাঁ দুর্গন্ধে আমার বমি হওয়ার উপক্রম।

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানায়, শাহজাহান সারা জীবন সিএনজি চালিয়ে অনেক কষ্টে জীবন নির্বাহ করেছেন। তারপরও সবাইকে নিয়ে সুখে থাকতে চেয়েছিলেন কিন্তু শাহজাহানের স্ত্রীর জন্যই তাদের সংসারে সকল অশান্তির কারণ। মায়ের অতি আশকারায় সন্তানরা মাদকসহ নানা অসামাজিক কাজে জড়িয়ে পরে। এমনকি উজ্জল বিদেশ থেকে দেশে ফিরে বিয়ে করলেও মা আর বোনের কারণে উজ্জলের স্ত্রী চলে যায়।

স্থানীয় একাধিক গ্রামবাসী জানায়, গত সোমবার পর্যন্ত উজ্জলকে এলাকার অনেকের সাথেই সুস্থ্য ও  স্বাভাবিক কথা বলতে দেখা গেছে। তবে, কেন আত্মহত্যার মতো পথ বেছে নিয়েছে তা সবার অজানা।

সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার বলেন, কিছুক্ষণ আগে (৯টা ৫০ মিনিট) শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাবে। 



সোনারগাঁও দর্পণ :

সোনারগাঁওয়ে তৃষা (২১) নামে এক গৃহবধুকে নির্যাতন পরবর্তী শ্বাসরোধে হত্যার পর তা আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নিহতের স্বামী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনীতিক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে। রবিবার (৩১ মে) সকালে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ভাদুড়িকান্দা গ্রামে আরজু মিয়ার বাড়িতে ঘটনাটি ঘটে। 

নিহত তৃষার পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, তৃষার বাবার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হলেও তিনি তার নানার বাড়ি সোনারগাঁওয়ের জামপুর ইউনিয়নের ৫ নংওয়ার্ডের কদমতলী প্রাইমারি স্কুল সংলগ্ন মৃত আবুল কাসেমের বাড়িতে তার নানির সাথে থাকতেন। তার বাবার নাম মৃত নুরুল ইসলাম।

নানার বাড়িতে বসবাসের সুবাদে স্থানীয় ভাদুড়িকান্দা গ্রামের আরজু মিয়ার ছেলে সোহাগের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ৫ বছর আগে উভয় পরিবারের কাউকে না জানিয়ে তৃষা ও সোহাগ বিয়ে করে নেয়। 

তৃষার মা রুবি আক্তারের অভিযোগ, বিয়ের পর প্রথম দিকে তারা তৃষা ও সোহাগের বিয়ে মেনে না নিলেও পরবর্তীতে মেনে নেন। সোহাগ রাজ মিস্ত্রি’র কাজ করলেও ছিল ভবঘুরে ও অলস প্রকৃতির। একদিন কাজ করলে এক সপ্তাহ বসে আর বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে দিন পার করতো। ৫ বছরের সাংসারিক জীবনে তাদের কোন সন্তান না হওয়ায় গত ছয় মাস ধরে প্রায়ই তৃষাকে শারীরিক নির্যাতন করতো।

ঈদের অবসরে তৃষার বাবার বাড়িতে তাদের কিছু আত্মীয়স্বজন আসলে তৃষাকে তার মা ফোনে জানায় এবং তৃষা বাড়িতে যেতে পারবে কি-না জানতে চায়। তৃষা তার স্বামীর সাথে কথা বলে তার মাকে জানাবে বলে জানায়। পরে তৃষা কিছু না জানালে আবারো ফোন করলে ফোনে তৃষার মৃত্যু সংবাদ পায় তার মা।

স্বামী সোহাগের পাশের বাড়ির এক নারী জানায়, তৃষার বাবার বাড়ি যাওয়া-না যাওয়া নিয়ে তৃষা ও সোহাগের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে শুনতে পাই তৃষা আত্মহত্যা করেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, সোহাগের অভাবের সংসার জেনেও তৃষা প্রেম করে সোহাগকে বিয়ে করেছে। কিন্তু অভাবের সংসার হলেও সোহাগ ছিল প্রচন্ড নারী লোভী। কিছুদিন আগেও স্থানীয় এক নারীর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় হাতে নাতে ধরে স্থানীয়রা। পরে স্থানীয়ভাবে মিমাংসা হয়। শালিসে সোহাগকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করা হয়েছে। এ সকল বিষয় নিয়েও তৃষার সাথে ওই ঘটনার পর সোহাগের ঝগড়া হয়। ওই সূত্রের জোর দাবি, সোহাগ তৃষাকে মেরে মেম্বার মোতলেব ও স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনীতিকদের সমন্বয়ে ঘটনাটি আঁতাতের মাধ্যমে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করি হচ্ছে। 

এ ব্যাপারে জামপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) মোতালেব এর মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তিনি কোন সাড়া দেননি। 

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়া তালতলা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই সেলিম মিয়া বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই ধারণা করছি। তারপরও লাশ পোষ্টমর্টেমের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। পোষ্টমর্টেম প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত চূড়ান্তভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। 

এ ব্যাপারে নিহতের বড় ভাই সেতু সোনারগাঁও থানায় মামলা করবেন বলে জানা গেছে।



সোনারগাঁও দর্পণ 

পাওনা মাত্র ৩৬ হাজার টাকা না দিয়ে দাফন কাজের প্রস্তুতি নেওয়ায় মৃত ব্যক্তির জানাজা আটকে দিয়েছেন ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। পরে পাওনা ৩৬ হাজার টাকা পরিশোধের পর মৃতের জানাজা দাফন কাজ সম্পন্ন করেন পরিবারের সদস্যরা।

অমানবিক ঘটনাটি ঘটেছে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার সন্মান্দি ইউনিয়নের মশুরাকান্দা গ্রামে।

মৃত গোলজার হোসেনের পরিবারের সদস্যরা জানায়, গোলজার হোসেন এবং সনমান্দী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সায়েম প্রধানের মধ্যে কারণে দেনা-পাওনা ছিল। যা গোলজারের পরিবার জানতো। গোলজার মারা যাওয়ার পর শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে তার জানাজার জন্য মরদেহ মশুরেরকান্দা ঈদগাঁহ মাঠে নেওয়া হয়।

এ সময় সনমান্দি ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সায়েম প্রধান তার পাওনা ৩৬ হাজার টাকার জন্য জানাজা কাজে বাঁধা দেন।

মৃত গোলজারের স্বজনরা জানান, গোলজার দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। পবিত্র ঈদুল আযহার দিন তিনি মারা যান।  বিএনপি নেতা সায়েমের সাথে ব্যবসায়িক কিছু লেনদেন ছিল, যা থাকাটা স্বাভাবিক। কিন্তু মাত্র ৩৬ হাজার টাকার জন্য দীর্ঘ দিনের ব্যবসায়িক বন্ধুর জানাজা আটকে দিবে তা আমরা কখনো ভাবিতে পারিনি। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।

মৃত গোলজারের কিশোর ছেলে জিসান (১২) জানায়, তারা সংসারে দুই ভাই, এক বোন এবং তার মা রয়েছেন। বাবার কাছে পাওনা টাকার বিষয়টি আমাদের জানিয়েছিলেন। বাবা মারা যাওয়ার পর আমরা ভেবেছিলাম দাফনের পর একটা সময় করে সকলের পাওনা টাকা পরিশোধের বিষয়ে কথা বলে দেনা-পাওনা শেষ করবো। কিন্তু যে ঘটনাটা ঘটোনো হয়েছে তা খুবই দুঃখজনক।

অভিযুক্ত সায়েম বলেন, গোলজারের কাছে টাকা পাওনা ছিলাম। বহুবার তাগাদা দেওয়ার পরও টাকা না দেওয়ায় আমি টাকার জন্য এ কাজ করতে বাধ্য হয়েছি। টাকা পেয়ে আমি চলে আসি।

এদিকে, জানাজায় উপস্থিত শত শত স্থানীয় এলাকাবাসী এ ঘটনাটিকে অত্যন্ত অমানাবিক ও মর্মান্তিক হিসেবে অবহিত করেছেন।

 সোনারাগাঁও দর্পণ

ডাকাতি করতে গিয়ে গ্রামবাসীর হাতে তিন ডাকাত ধরা পরেছে। পরে ধৃত ডাকাতদেরকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে গ্রামবাসী। বুধবার (২৭ মে) রাতে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের কাজিরগাঁও এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানায়, ইউনিয়নের চরগেয়ালদী মীর বহরকান্দী গ্রামের মৃত শফিকুলের ছেলে রানা (৪৫) ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা তিনটি গাড়িতে করে দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ কাজীরগাঁও এলাকায় ডাকাতির উদ্দেশ্যে পাশ্ববর্তী কাজিরগাঁও গ্রামে একদল ডাকাত একত্রিত হচ্ছিল । স্থানীয়বাসীন্দারা বিষয়টি টের পেয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে চরগেয়ালদী মীর বহরকান্দী গ্রামের মৃত শফিকুলের ছেলে রানাসহ তিনজনকে আটক করে। আটকের সময় তাদের কাছ থেকে চাঁপাতি, চাইনিজ কুরাল এবং ধারালো চাকু এবং বেশ কয়েকটি ইয়াবা উদ্ধার করে।

সোনারগাঁও থানার এএসআই মো. হায়দার মিয়া জানান, আমি একটি মামলার তদন্ত করতে কাজিরগাঁও গ্রামে যাই। সে সময় ওই গ্রামবাসী তিনজন ব্যক্তিকে আটক করে আমাদের হাতে তুলে দেন। আমরা পেশাগত দায়িত্ববোধ থেকে তাদের থানায় নিয়ে আসি। রানাসহ তিন জন আটকের খবরের সত্যতা স্বীকার করলেও বাকি দুইজনের নাম তদন্তের স্বার্থে কিছু বলেননি বলে জানান। 

বর্তমানে (২৭ মে) আটককৃতদের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। তাদের কাছ থেকে চাঁপাতি, চাকুসহ কিছু দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের নামে কোন মামলা আছে কি-না। থাকলে সে মামলায় তাদের আদালতে পাঠানো হবে।

এরআগে, গত ৭ মে রাত আনুমানিক ১১টার দিকে চরগেয়ালদী মীর বহরকান্দী গ্রামের মৃত শফিকুলের তিন ছেলে রানা (৪৫), রাজু (৩৮) রাজিব (৩৬) এবং হযরত আলীর ছেলে জলিল ওরফে দালাল জলিল (৫৫) এর নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকার ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল দেশীয় এবং আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে একই এলাকার আলিম মিয়ার ছেলে প্রবাসী আবু কালামের বাড়িতে প্রথম হামলা করে। 

বাড়ির নারীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সাত ভরি স্বর্ণ, লাখ নগদ টাকা, ৫টি মোবাইল, একটি ল্যাপটবসহ বিভিন্ন দামি জিনিসপত্র নিয়ে যায়। পরে একই এলাকার রমিজের বাড়িতে স্ব-সস্ত্র ডাকাত দল হামলা করে নগদ টাকা স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। 

 

সোনারগাঁও দর্পণ :

দেশবাসীকে পবিত্র ঈদ উল আজহার অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৬মে) রাত ১১ টার দিকে তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজ এ এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এ শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। 

সোনারগাঁও দর্পণ এর পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বাণী হুবহু তুলে ধরা হলো - 

“ত্যাগের পরাকাষ্ঠা, তাকওয়ার মহিমান্বিত পথনির্দেশনা এবং আত্মশুদ্ধির অনন্য বার্তা সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বছর ঘুরে আবারও বিশ্ব মুসলিমের দুয়ারে হাজির পবিত্র ঈদুল আজহা। আমি পবিত্র ঈদুল আজহার এই শুভক্ষণে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে জানাই ঈদ মুবারক। ”

“বিশ্ববাসীকে জানাই পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা। ত্যাগের মহিমায় উজ্জীবিত বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলমান পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের জন্য প্রস্তুত। ইসলামের মহিমান্বিত এই উৎসব শুধু একটি আনন্দ-উৎসবই নয়, বরং তা স্রষ্টার প্রতি গভীর বিশ্বাস, আত্মনিবেদন এবং ত্যাগের এক চিরন্তন বার্তা বহন করে। ”

“মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর অটল ঈমান, নিঃশর্ত আনুগত্য এবং সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এই দিবসকে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কাছে মহিমান্বিত ও গভীর তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।পবিত্র ঈদুল আজহায় আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করি, তিনি যেন আমাদের ত্যাগ কবুল করেন। ”

“আমাদের মাতৃভূমিসহ সমগ্র মুসলিম বিশ্ব ও মানবজাতির জন্য শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা দান করেন। একইসঙ্গে আমি বিশ্বজুড়ে শান্তি, সম্প্রীতি এবং নিরাপত্তার জন্যও মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করছি।ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর হোক এই পবিত্র ঈদুল আজহা। আল্লাহ আমাদের কোরবানি ও ইবাদত কবুল করে নিন। তাঁর অশেষ রহমত ও বরকতে আমাদের জীবন ভরে উঠুক শান্তি ও সমৃদ্ধিতে।”

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget