৪ দিন অসহনীয় ভোগান্তি শেষে স্বচল ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চিটাগাংরোড এলাকা থেকে তোলা

সোনারগাঁও দর্পণ :

৪ দিন অসহনীয় যানজটের ভোগান্তি শেষে অবশেষে বুধবার বিকাল থেকে স্বচল হয়েছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। বুধবার (১৪ জুলাই) নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলাধীন লাঙ্গলবন্দ সেতুর সংস্কার কাজ শেষ হওয়ায় যান চলাচলের জন্য সড়কটি খুলে দেয় সড়ক ও জনপদ বিভাগ। এরআগে, গত ১০ জুলাই থেকে  সোনারগাঁও উপজেলাধীন লাঙ্গলবন্দ সেতুর সংস্কার কাজ করায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজটে পরে সীমাহীন দুর্ভোগে পরে যানবাহন চালক ও শ্রমিকরা। যানজটে পরে নষ্ট হয়েছে অনেক কাঁচামাল।

এরআগে, গত ১০ জুলাই থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের লাঙ্গলবন্দ সেতুর সংস্কার কাজ করায় সড়ক ও জনপদ বিভাগ এক লেনে যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেয়। কিন্তু মহাসড়কে যানজটের চাঁপ এতটাই ছিল যে বিকল্প পথ (মোগরাপাড়া চৌরাস্তা থেকে ঐতিহ্যবাহী গ্র্যাংট্রাং রোড দিয়ে বন্দর রেল লাইন হয়ে মদনপুর এবং বন্দরের নবীগঞ্জ গুদারাঘাট দিয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর হয়ে ঢাকা পথ) ব্যবহারের অনুমতি দেয়। কিন্তু বিকল্প পথ সরু হওয়ায় বড় আকারের একাধিক লড়ি, ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল করায় সকল দিক থেকে সবগুলো পথ বন্ধ হয়ে যায়। এতে দিন-রাত একই স্থানে যাবাহন বন্ধ করে বসে থাকতে দেখা গেছে যানবাহন শ্রমিকদের। ফলে চিটাগাংরোড থেকে মেঘনা সেতু পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার সড়কে শুরু হয় দুর্বিসহ তীব্র যানজট। এমনকি যানজটের সময় একাধিক ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটেছে বলে তথ্য রয়েছে।

কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, বিকল্প সড়কে হালকা যানবাহন চলাচলের জন্য বলা হয়েছে। কিন্তু সরু রাস্তায় ভারী ও মালবাহী যানবাহন প্রবেশ করে আগে যাওয়ার প্রতিযোগিতার কারণে বিকল্প সড়কেও দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। তবে, বর্তমানে সড়ক সচল হয়েছে। 


Post a Comment

[blogger]

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget