মোগরাপাড়া পাইপ লাইন পানি সরবরাহ প্রকল্পের গ্রাহকদের যত অভিযোগ

সোনারগাঁও দর্পণ : 

কাজের বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্তঃ নেই ‘জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতাধীন বাংলাদেশ ওয়াটার সাপ্লাই ও স্যানিটেশন প্রকল্পের’ “মোগরাপাড়া পাইপ লাইন পানি সরবরাহ প্রকল্প”র কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। বিদ্যুৎ বিলা পরিশোধ না করায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করায় গত ৬ দিন ধরে পানি কষ্টে থাকা গ্রাহকরা অভিযোগ করেন।

মোগরাপাড়া ইউনিয়নের দমদমা, বিশেষখানা, খুলিয়াপাড়া ও ষোলপাড়া গ্রামের অনেক গ্রাহক অভিযোগে জানান, প্রায় ২ থেকে আড়াই বছর ধরে তারা সোনারগাঁও সরকারি কলেজের শেষ অংশে এবং কৃষি কোয়ার্টারের পাশে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতাধীন বাংলাদেশ ওয়াটার সাপ্লাই ও স্যানিটেশন প্রকল্পের নির্মিত “মোগরাপাড়া পাইপ লাইন পানি সরবরাহ প্রকল্প” থেকে মাসিক ৩০০ টাকা দিয়ে পানি নিয়ে থাকেন। যদিও প্রথম দিকে প্রতিমাসে ২৫০ টাকা পরিশোধ করতে হতো। মাস দুয়েক যাওয়ার পর থেকে ৫০ টাকা বাড়িয়ে ৩০০ টাকা পরিশোধ করেন। 

এছাড়া পানি সংযোগ দেয়ার সময় প্রতিটি সংযোগ থেকে কমপক্ষে আড়াইহাজার থেকে ৫/৬ হাজার টাকা পর্যন্ত লাইন খরচ নিয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স আদেল এন্টারপ্রাইজ। এই প্রকল্প থেকে উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের দমদমা, বিশেষখানা, বড়নগর, খুলিয়াপাড়া, ষোলপাড়া, গোহাট্টা, ডহরপাড়া, ফুলবাড়িয়া, নগর সাদিপুর, ইউসুফগঞ্জ, বাড়িচিনিশসহ কমপক্ষে ১০ গ্রামের ৩ হাজার পরিবার পানি সংযোগ নেন। 

তাদের অভিযোগ, ভাল মানের পানি দেয়ার নিশ্চয়তা পেয়ে পানির লাইন নেয়ার পর থেকে একদিনের জন্যও তারা ভাল পানি পায়নি। ঘোলা ও প্রচুর পরিমাণে আয়রণযুক্ত পানি হওয়ায় শুধু রান্নার আসল স্বাদই নষ্ট হয়না প্রচুর পরিমাণে আয়রনের ফলে অনেকের মাথার চুল পড়ে টাক হওয়ার উপক্রম। রান্নার সময় বেশি আয়রনের ফলে ভাত হয় কালচে রংয়ের। 

মাসে ৩০ দিনের মধ্যে ২০ থেকে ২২ দিন পানি পেয়ে থাকেন। দায়িত্বে থাকা সহকারী সাইফুল কোন কারণে অসুস্থ হলে বা অন্য কোন কাজে গেলে সেদিনও পানি পাননা তারা। কারো পানির লাইনে কোন সমস্যা হলে দেড় থেকে দুই মাস অপেক্ষা করেও সে সমস্যা দুর হয়না। 

কারণ হিসেবে জানান, অধিক লাভ করতে একজন অফিস সহকারী সাইফুল ও একজন মাত্র লাইন মিস্ত্রি দিয়ে মোগরাপাড়া, মেঘনা ও বন্দরে মোট তিনটি প্রকল্প চালাচ্ছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আদেল এন্টারপ্রাইজ। ফলে, সঠিক সময়ে পানি ছাড়া হয়না এবং সমস্যার সমধান হয়না।

এ বিষয়ে “মোগরাপাড়া পাইপ লাইন পানি সরবরাহ প্রকল্প”র ম্যানেজার আল-আমিনকে বহুবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


Post a Comment

[blogger]

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget