সোনারগাঁওয়ে জেলা ছাত্রলীগ নেতাদের কুপিয়েছে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট নেতা-কর্মীরা - সোনারগাঁও দর্পণ

শিরোনাম


 

Post Top Ad

Monday, September 20, 2021

সোনারগাঁওয়ে জেলা ছাত্রলীগ নেতাদের কুপিয়েছে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট নেতা-কর্মীরা

সোনারগাঁও দর্পণ : 

নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের নেতাসহ কমপক্ষে ৮ জনকে কুপিয়েছে সোনারগাঁও পৌরসভা বঙ্গবন্ধু সাস্কৃতিক জোটের সভাপতি ও পৌর বিএনপি’র সদস্য সচিব স্থানীয় পৌর কমিশনার মোতালেব মিয়ার ভাগিনা  এবং স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী রনি ও তার সহযোগিরা। সোমবার বিকালে উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের পুরান ত্রিবর্দী (টিপরদি) এলাকায় স্থানীয় একটি খাবার হোটেলে এ ঘটনা ঘটে। মুলত কি কারণে এ হামলা তা সুনির্দিষ্টভাবে জানাতে না পারলেও স্থানীয়দের ধারণা পূর্বশত্রæতার জের ধরে আধিপত্য দেখাতে এ হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। হামলায় আহতদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আরমান, জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মামুন, মোগরাপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অনয়ছাড়াও আরও ৫/৬ জন। তবে, প্রাথমিকভাবে উল্লেখিতদের নামই জানাতে পেরেছে স্থানীয় একটি সূত্র।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সূত্রটি ‘সোনারগাঁও দর্পণ’কে জানায়, বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আরমান, জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মামুন, মোগরাপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অনয়সহ ৮/১০ জন উপজেলার পুরান ত্রিবর্দী এলাকায় একটি হোটেলে দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় দুইটি নাফ পরিবহনে করে সোনারগাঁও পৌরসভা বঙ্গবন্ধু সাস্কৃতিক জোটের সভাপতি ও পৌর বিএনপি’র সদস্য সচিব, স্থানীয় পৌর কমিশনার মোতালেব মিয়ার ভাগিনা রনি ও তার সহযোগি নাঈম, সাজু, সুজন,জীবন,হাসান, সোহেল এবং হাসমতসহ কমপক্ষে ২৫/ ৩০ জনের একটি দল ধারালো অস্ত্র নিয়ে ওই হোটেলে প্রবেশ করে এবং ছাত্রলীগের ওই সব নেতাসহ সেখানে থাকা কমপক্ষে ১০ জন ব্যক্তির ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় কমপক্ষে ৭ /৮ জন গুরুতর জখম হয়। আহতদেকে  আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে মদনপুরের আল-বারাকা হাসপাতালে পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদিকে, ঢামেক হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুজনকে ডাকা পঙ্গুহাসপাতালে পাঠিয়েছেন। আহতদের মধ্যে কমপক্ষে ৪জনের অবস্থা শঙ্কটাপন্ন বলে সূত্র দাবি করে। 

এ ব্যাপারে সোনারগাঁও থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনাটি আমিও লোক মারফত শুনেছি। মুলত ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে জেলা ছাত্রলীগের ছেলেপেলের সাথে স্থানীয় ছাত্রলীগের ফেলে-পেলেদের মারামারি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। এখনো (রাত ৯টার কিছু পর) কোন পক্ষ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।


Post Bottom Ad