1. tarunbeghi@gmail.com : admin :
  2. mamun.sp10@gmail.com : Mokkaram Mamun : Mokkaram Mamun
  3. babuibasa@gmail.com : sd :
দয়া করে এখনই কঠোর হোন - সোনারগাঁও দর্পণ
বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২১, ০৪:২৩ অপরাহ্ন

ছবি ঘর

দয়া করে এখনই কঠোর হোন

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২০

মোকাররম মামুন :

সন্ধ্যা ৭টা। সোনারগাঁও পৌর এলাকার বাড়িগন্ধব মোড়। দাড়িয়ে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলাম চৌরাস্তা যাওয়ার জন্য। হঠাৎ দৃষ্টি পড়ল বাড়িগন্ধব মোড়ে ৩/৪টি দোকানের দিকে। দেখলাম দোকানগুলোতে কম হলেও ২৫/৩০জন ব্যক্তির জটলা। কারো মুখে মাস্ক নেই, বালাই নেই শারীরিক দুরত্বেরও।

এক সময় গড়িতে চড়ে চৌরাস্তার উদ্দেশ্যে রওনা দেই। চৌরাস্তা যেতে যতগুলো দোকান বা সড়ক দিয়ে চলাচলরত ব্যক্তিদের চোখে পড়েছে প্রায় সবগুলো দোকানদার, ক্রেতা বা পথচারীদের কারো মুখে মাস্কের লেস মাত্র নেই। যাও দুই-একজনের সাথে আছে, তা-ও আবার থুতনিতে রাখা। বিষয়টি এমন যেন, মনে হল মাস্ক ব্যবহারের নিয়মই যেন মাস্ক থুতনিতে রাখা।

যা হোক চৌরাস্তা নেমে ভাড়া চুকিয়ে গেলাম কাঁচা বাজারে। দেখে রীতিমত বিষ্মিত হলাম। রাত প্রায় ৮টা। একি অবস্থা। সরকার করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় যখন নুনে জল খেয়ে নেমেছে। বিভিন্নভাবে জনগণকে সচেতন করতে সরকারের পক্ষ থেকে নেয়া হচ্ছে পদক্ষেপ, এমনকি মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে যেখানে সংসদে প্রস্তাব উঠে এবং পাশ হয়। মাস্ক ব্যবহারে এতটা গুরুত্ব দেয়া হয়েছে, সেখানে মানুষদের এ কেমন আচরণ।

প্রবাদ আছে-“বেলা থাকতে হাইটা (হেটে) যাও, সময় থাকতে রাইখা খাও”- অথচ, আমাদের আচরণ দেখে মনেই হয়না যে, দেশে বা বিশে^ করোনা নামক কোন মরণ ভাইরাস আছে। কিছুদিন আগেও যে লাখ লাখ মানুষ গিলে খেল। এখনও খাচ্ছে। অসচেতন হলে আরও খাবে।

সম্প্রতি করোনা মোকাবিলায় সারাদেশেই জনসাধারনের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হচ্ছে। সে দিকে থেকে সোনারগাঁও এখন পর্যন্ত অনেকটাই পিছিয়ে বলে সাধারণ মানুষ মনে করেন। চিকিৎসকরা বরাবরই বলে থাকেন, ‘রোগ হওয়ার পর রোগ সারানোর চেয়ে রোগাক্রান্ত নহওয়ার পদক্ষেপ গ্রহণই উত্তম’।

এদিকে, সোনারগাঁও প্রশাসন করোনা সংক্রমনের প্রথম দিকে কিছু সময় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করলেও দ্বিতীয় ধাপে তেমনটা দেখা যাচ্ছেনা। শুধু রাস্তাঘাটেই নয়, পরিবহনগুলোতেও একই অবস্থা। কোথাও নাম মাত্র নেই হ্যাÐ স্যানিটাইজার বা জীবানুমুক্ত করার কোন উপাদান। ‘মাস্ক ছাড়া গাড়িতে উঠা নিষেধ’ এমন একটি স্টীকার লাগিয়েই যেন তাদের সকল দায়িত্ব শেষ করেছেন বলে মনে হয়। জীবানুমুক্ত করার কোন ব্যবস্থা আছে কি-না জানতে চাইলে পরিবহর স্টাফদের সোজা কথা, এখন আবার করোনা আছে না-কি! কাউন্টার সিটিং গাড়িতে যাত্রী নিচ্ছে আগের মতো দাড় করিয়ে, গায়ে গাঁ ঘেঁষে। যাত্রীদের মুখে থাকেনা মাস্ক। পরিবহন থেকে নেয়া হয়না কোন পদক্ষেপ। এটি যে আমাদের দ্বিতীয় ধাঁপে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা কতটুকু ভয়াবহ হতে পারে তা কল্পনাও করা যায়না।

তাই স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, অন্ততপক্ষে মুখে মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে অর্থাৎ করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ঘোষিত সকলের সকল ক্ষেত্রে মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে এখনই ব্যবস্থা নিন। তাতে কাজ না হলে এখনই কঠোর হওয়ার সময়।

আপনি সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2019 Breaking News
Theme Customized By BreakingNews
error: Content is protected !!